ঝুঁকি নিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী উপজেলার নন্দপাড়া গ্রামে ব্যাপক নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর পানি কমতে শুরু করায় নতুন করে এ ভাঙন শুরু হয়েছে।
তীব্র এই নদী ভাঙনের শিকার হয়ে ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে নন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন। হুমকির মধ্যে পড়েছে ওই স্কুলের প্রাক-প্রাথমিক ভবনসহ আরও ২টি ভবন। ঝুঁকি নিয়ে পড়াশুনা করছে শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের শঙ্কা, এখনই ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে নন্দপাড়া বিদ্যালয়টি। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নদী তীরবর্তী হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরাও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানান তারা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদ ইলাহী ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান রাশেদ ভাঙন কবলিত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুলসুম আক্তার জানান, বিদ্যালয়ে শিশুশ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ৩শ ৪২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টি ভাঙনের মুখে পড়ায় বর্তমানে শ্রেণিকক্ষের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় স্কুলের পাশে টিনের ছাপড়া ঘর (ছাউনি) তুলে পাঠদান করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়টি নদী তীরবর্তী হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরাও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানান তিনি।
জরুরী ভিত্তিতে নতুন ভবনের নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।
এ ব্যাপারে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. তোফায়েল আহম্মেদ মোল্লা বলেন, প্রতিবছর নন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাঙনের কবলে পড়লেও এ পর্যন্ত ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকরী উদ্যোগ নেয়নি। ভাঙনের কবল থেকে বিদ্যালয়টি রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এফএ/এমএস