অধ্যক্ষের চড়ে ৫ বছরের শিশু অজ্ঞান

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:৪০ এএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার আগে কলেজের অধ্যক্ষ ৫ বছরের এক শিশুকে চড় দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজের শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই অধ্যক্ষের নাম আবদুল মোতালেব। তিনি ওই কলেজের অধ্যক্ষ।
 
ওই শিশুটির নাম ইনতিশা জাহান অজি। সে হাজিরহাট সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক (শিশু) শ্রেণির ছাত্রী ও স্থানীয় সংবাদকর্মী সিরাজুল ইসলাম শামিমের মেয়ে।
 
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কলেজের পাশেই একটি ভাড়া বাসায় শিশু অজিসহ তার পরিবার থাকে। রাত সোয়া ৮টার দিকে মায়ের সঙ্গে কলেজ মাঠে যায়।

এ সময় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মাইকে দেশাত্ববোধক গান চলছিল। গানের সঙ্গে ওজিসহ কয়েক শিশু নৃত্য করতে থাকে।
 
এরই মধ্যে অধ্যক্ষকে দেখে অন্য শিশুরা পালিয়ে গেলেও শিশু অজি শহীদ মিনারের সীমানার ভিতর দাঁড়িয়ে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজ অধ্যক্ষ শিশুটিকে জোরে চড় মারেন।
 
শিশুর বাবা সিরাজুল ইসলাম শামীম বলেন, কলেজ অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব তার ৫ বছরের শিশু মেয়েকে অন্যায়ভাবে মুখে চড় দিয়েছে। এতে কিছু সময় তার মেয়ে অচেতন হয়ে থাকে।
 
তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলে চড়ের পর থেকে মেয়ে জ্বরে ভুগছে। ঘটনার পর রাতেই অভিযোগ করেতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থানায় নেই জেনে ফিরে আসি।

হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শহীদ মিনার ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। ওই শিশু শহীদ মিনারে উঠে দৌড়াদৌড়ি করে। যে কারণে আস্তে করে তাকে একটি চড় দিয়েছি। ওই শিশু সাংবাদিকের মেয়ে আমি তা জানতাম না। এসব বিষয়ে জানতে চাওয়ার একপর্যায়ে অধ্যক্ষ সাংবাদিকদের ওপরও চড়াও হন।
 
এ বিষয়ে কমলনগর থানা পুলিশের এএসআই মো. জাহাঙ্গীর জানান, শিশুটিকে নিয়ে তার বাবা থানায় যাওয়ার পথে দেখা হয়। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থানার বাইরে আছেন জেনে তিনি ফিরে যান।

এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।