দিনাজপুরে হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে
মঙ্গলবার রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে দিনাজপুরে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
ঝড়ের ফলে জেলার বিভিন্নস্থানে বড় বড় বটগাছও উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জরুরিভাবে শহরের কিছু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারলেও উপজেলা পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাছাড়া নুইয়ে ভেঙে পড়েছে ভুট্টার গাছ। থেতলে গেছে ধানের শীষ। শীষ থেকে ঝরে পড়ে গেছে ধান। কলা, টমেটোসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দিনাজপুর সদর, চিরিরবন্দর, বিরল, পার্বতীপুর ও খানসামা উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
শহরের বস্তি এলাকাগুলো তছনছ হয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। অনেক বাড়ির খাট, আসবাবপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেলেও সেখানে বাড়ির কোনো অস্তিত্ব নেই।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে শত শত একর জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তারা কিভাবে কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। মাঠের পর মাঠ ধানগাছ শুয়ে পড়েছে।
কৃষকরা জানিয়েছেন, সার, তেলের মূল্য বেশি তাতে করেও তারা দু’দানা পাবেন এই আশা করেছিলেন। কিন্তু, মঙ্গলবার রাতের কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে সেই আশা তাদের ভেঙে গেছে। ধার দেনা করে আবাদ করেছেন। ঝড়ে ও বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পর কিভাবে চলবেন তারা এই চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে দিনাজপুরে জেলা প্রশাসক আহমদ শামীম আল রাজী জাগো নিউজকে জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। যা বর্ণনা করার মতো নয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এসএস/এমএএস/আরআই