দিনাজপুরে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি


প্রকাশিত: ০৯:৫০ এএম, ২০ এপ্রিল ২০১৭

দিনাজপুরে যমুনা অটোরাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনজন মারা গেছেন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।

এ ঘটনা তদন্তে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কাজেম উদ্দীন, দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক লিয়াকত আলী, কলকারখানা পরিদর্শক, দিনাজপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম ও বয়লার পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর।

কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। কমিটির প্রধান অতিরক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তারা কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি সভা করেছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় দিনাজপুর থেকে ২২ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে তিনজন মারা যান। বাকি ১৯ জনের প্রায় সবার শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাই এদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিহতরা হলেন, অঞ্জলী রানী রায় (৪৫), মোকসেদ আলী (৪৮) ও আরিফুল ইসলাম (৪৫)। এদের সবার বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার চাঁদগঞ্জ গ্রামে। এরা সবাই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুরের সদর উপজেলায় যমুনা অটোমেটিক রাইস মিলের বয়লার বিস্ফোরণে দুর্ঘটনার পর ২৩ জনকে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ২২ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা যান।

এমদাদুল হক মিলন/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।