বিরলে প্রত্নতত্ত্ব খননকাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
দিনাজপুরের বিরলের রাণীপুকুর ইউপির বিষ্ণপুর গ্রামে প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন খননকাজ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম। মঙ্গলবার দুপুরে তারা প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন খননকাজ পরিদর্শনে যান।
এ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. স্বাধীন সেন, অধ্যাপক সৈয়দ মো. কামরুল হাসান, বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম, রওশন কবীর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেজবাউল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-প্রশাসন) আব্দুল মজিদ, ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আযম, জগতপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান, সাংবাদিক আতিউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অর্থায়নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগিতায় বিরল উপজেলায় আদিকালের একটি স্থাপনা খননকাজ শুরু হয় এবছর।
স্থানীয় জনসাধরণ ইতোপূর্বে মাটির ঢিপি সংলগ্ন ওই স্থানে বুড়িমাতা ঠাকুরাণী মন্দির নির্মাণ করে নিয়মিত পূজা অর্চনা পরিচালনা করে আসছেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. স্বাধীন সেন জানান, পূর্ব পশ্চিমে ৮০ মিটার ও উত্তর দক্ষিণে ৫০ মিটার প্রশস্ত এলাকা খনন কাজ চলছে।
প্রাথমিকভাবে অল্প জায়গায় এর খনন কাজ শুরু করা হলেও এখন বিশাল এলাকাজুড়ে এর বিস্তৃতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যার কারণে প্রথমে ৩ মাস খননকাজের সময় নির্ধারণ করা হলেও আরও ৩ থেকে ৪ মাস সময় প্রয়োজন হতে পারে পুরো খনন কাজ শেষ হতে।
বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাসে এই প্রত্নতত্ত্বটির ভূমিকা কি খনন কাজ শেষ হলে বলা যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আদিকালে নির্মিত হলেও পরবর্তীতে আবারও সংস্কার কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।
জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম জানান, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ হতে সার্বিক সহযোগিতা খননকাজে প্রদান করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্বটি সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা প্রশাসনের পক্ষ হতে নেয়া হবে।
এমদাদুল হক মিলন/এএম/আরআইপি