হুমকিতে বগুড়ার ১০ পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
বগুড়ায় যমুনার পানি ভয়াবহভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলার অন্তত ১০টি পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ দিয়ে পানি ভেতরের অংশে প্রবেশ করছে। এতে এসব এলাকার লোকজন ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে পড়েছে। অনেকে বাড়ি ঘর সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার সকালে যমুনার পানি বিপদসীমার ১২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপর দিকে যমুনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাঙালি নদীর পানিও বাড়ছে।
দুই নদীর নিম্মাঞ্চলের এলাকাগুলো এখন প্লাবিত। বন্যার্ত ও বাঁধের ওপরসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়া লোকজনের সংখ্যা বাড়ছে। সার্বিকভাবে বগুড়ার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
বন্যাকবলিত সারিয়াকান্দির কুতুবপুর, দিঘলকান্দি, চন্দনবাইশা ও ধুনটের পুকুরিয়া ভান্ডারবাড়ি, বড়ইতলি, বানিয়াজান, শিমুলবাড়ি ও আটাচর এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নিচ দিয়ে পানি চুইয়ে পড়ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব স্থানে বালুর বস্তা ও পাইলিং করে মেরামত করছে। তবে এরপরেও বাঁধ সংলগ্ন এলাকাগুলোর লোজনের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েই চলছে।
বগুড়া পানি উন্নয়নের বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশরী রুহুল আমিন যমুনার পানিবৃদ্ধির কারনে বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়ার কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, কিছু সমস্যা থাকলেও পারিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।
জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা শাহারুল হোসেন মোহাম্মদ আবু হেনা জানিয়েছেন জেলার বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে রয়েছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরুজ্জামান বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন পানি বাড়ায় সমস্যা দেখা দিচ্ছে বেশি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
লিমন বাসার/এএম/পিআর