বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৯:৫৮ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ১০:০১ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ফরিদপুরের সদরপুরে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে চারদিনব্যাপী বিশ্বওলী হযরত শাহ্সূফী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু. ছে. আ.) কেবলাজান ছাহেবের মহা পবিত্র বিশ্ব উরস শরীফের চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি কাজ চলছে। ফরিদপুরের বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে ৪ মাস আগে থেকে শুরু হয়।

আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ দিনব্যাপী বৃহৎ এ সূফী মহা মিলনমেলা শুরু হবে। ২০ ফেব্রুয়ারি বাদ ফজর বিশ্বওলী কেবলাজান ছাহেবের রওজা শরীফ জিয়ারত ও আখেরি মুনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে ৪ দিনের মহা পবিত্র বিশ্ব উরস শরীফে, লাখো লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ সমবেত হবেন।

২৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মূল ভেন্যুতে শান্তিকামী মুসলমানদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মালম্বী মানুষের জন্যও পৃথক পৃথক জায়গায় স্বতন্ত্র কম্পাউন্ড নির্মাণ করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য আলাদা অন্ধর মহল কম্পাউন্ড নির্মাণ চলছে।

ইবাদত বন্দেগি, ওযু, আহার, বিশ্রাম, পয়ঃপ্রনালী, জরুরি চিকিৎসা, নিরাপত্তা, নিয়ম শৃঙ্খলা, ট্রাফিক, গাড়ি পার্কিং, অগ্নি নির্বাপন, প্রকাশনা স্টল, মিডিয়া সেন্টার, সাউন্ড সিস্টেম, তবারক রান্না, খাবার মাঠ তৈরিসহ আনুষাঙ্গিক সকল আয়োজন সুনিশ্চিতে দিন রাত ব্যাপক কাজ চলছে। পুরো আয়োজনে ৫৮টি ডিপার্টমেন্ট একযোগে কাজ করছে।

বিশ্বওলী কেবলাজান ছাহেবের আধ্যাত্মিক প্রতিনিধিদ্বয় পীরজাদা আলাহাজ খাজা মাহ্ফযুল হক মুজাদ্দেদী ছাহেব ও পীরজাদা আলহাজ্ব খাজা মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদী ছাহেব সার্বিক দিক সমম্বয় ও তত্ত্বাবধান করছেন।

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের প্রেস সচিব শামীম হায়দার জানান, বিশ্বব্যাপী শান্তি, ঐক্য ও প্রগতির আহ্বান ছড়িয়ে দেয়ার এ মহা মিলনমেলা উপলক্ষে সুমৃশ্য তোরণ, বর্ণিল ব্যানার, ফেস্টুন, পবিত্র কুরআনের আয়াত ও হাদীস শরীফ উৎকীর্ণ প্ল্যাকার্ড সহযোগে নান্দনিক সাজে সজ্জিত হচ্ছে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল।

পুকুরিয়া, চর নওপাড়া, চরভদ্রাসন, তালমা, হাট কৃষ্ণপুর, ভাঙ্গা, মালিগ্রাম ও ব্রাহ্মনদী প্রবেশ পথে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার লক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট, মাওয়া এবং পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ক্যাম্প স্থাপন চলছে। এসব ক্যাম্প থেকে বিশ্ব উরস শরীফ কাফেলার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে।

বিশ্বের নানা দেশ থেকে যেসব কাফেলা আসবে তার এসকর্ট ও আনুষাঙ্গিক সহায়তা দেবে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবী টিম।

তরুণ/এমএএস/আরআইপি