দৌলতদিয়ায় ৪ কিলোমিটার গাড়ির সারি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০৯:২৯ পিএম, ২১ জুন ২০১৮

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষ। ফলে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে উপচে পড়া ভিড় দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত যানবাহনের সারি প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ হয়। শতাধিক প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ফেরির অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।

রাত ৯টার দিকে দৌলতদিয়া বিআইডব্লিউটিসি ঘাট সূত্র জানায়, ঈদের ছুটি কাটিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ নিজ কর্মস্থলে ছুটছে। গত তিন দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার ভিড় বেশি। মানুষের ভিড়ে লঞ্চঘাটের সেতু ও পন্টুনে দাঁড়ানোর জায়গাটুকু নেই। দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ ফিড মিল পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কে যাত্রীবাহী পরিবহন এবং বাইপাস সড়কে প্রায় শতাধিক প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ফেরির অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে, লঞ্চঘাটে রয়েছে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের চাপ। ঘাট এলাকার যানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে অাইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ৩৩টি লঞ্চ ও ১৯টি ফেরি রয়েছে। যান্ত্রিক ক্রটির কারণে বিকল হয়ে পাটুরিয়ায় ভাসমান কারখানায় রয়েছে একটি ফেরি।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মৃদুল কান্তি জানান, কর্মস্থলগামী মানুষকে যানবাহনগুলো একযোগে ঘাটে নিয়ে আসায় মহাসড়কে দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। তবে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কাজ করছে এবং পুলিশ সুপার নিজেও তদারকি করছেন।

দৌলতদিয়া ঘাট বিআইডব্লিউটিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. খোরশেদ অালম জানান, অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঈদে অাসা ও যাওয়ার সময় যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বৃদ্ধি পায় দৌলতদিয়ায়। ঈদের পর থেকে নিয়মিতভাবে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হলেও অাজ চাপ বেশি। তবে এই চাপ থাকবে না। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এই চাপ কমে যাবে।

তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে এই নৌরুটে ছোট-বড় ২০টি ফেরি রয়েছে। তবে একটি ফেরি জরুরি মেরামতে থাকায় ১৯টি চলমান রয়েছে।

রুবেলুর রহমান/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।