৪ দিনেও চালু হয়নি জৌকুড়া-নাজিরগঞ্জ ফেরি চলাচল
পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকার কারণে ৪ দিনেও চালু হয়নি রাজবাড়ীর জৌকুড়া ও পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ফেরি চালাচল। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এ রুট দিয়ে পারাপার হওয়া যানবাহন ও যাত্রীরা। তবে ঝুঁকি নিয়ে ছোট দুটি লঞ্চ ও কয়েকটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।
যাত্রী ও যানবাহন চালকদের অভিযোগ এ রুটে ২টি ছোট ইউটিলিটি ফেরি চলাচল করে। পেরি দুটি অনেক পুরানো হওয়ায় স্রোত একটু বাড়লেই আর চলতে পারে না। তাই এ রুটে নতুন শক্তিশালী ফেরি দিলে তাদের প্রায়ই এমন ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।
জানা গেছে, হঠাৎ করেই গত কয়েক ধরে পদ্মা নদীতে পানি বাড়ছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র স্রোত। ফলে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে জৌকুড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে পরিচালিত ফেরি দুটি অনেক পুরাতন হওয়ায় স্রোতের বিপরীতে চলতে পরেছে না।
এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার বিষয় নিয়ে সওজ যাত্রী ও যানবাহনের পারাপারে বিকল্প রুট ব্যবহারে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তবে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেও স্রোতের মধ্যে চলছে লঞ্চ ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলার।
লঞ্চ দেখভালের দায়িত্বে থাকা আব্দুল লতিফ জানান, নদীতে স্রোত আছে তারপরও যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে তারা লঞ্চ ও ট্রলার পরিচালনা করছেন। তবে যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে।
রাজবাড়ী সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কেবিএম সাদ্দাম হোসেন জানান, গত কয়েক দিন ধরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে স্রোতের তীব্রতা। স্রোতের বিপরীতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্রোতের তীব্রতা কমে আসলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হবে।
উল্লেখ্য, গত মাসের (আগস্ট) শেষ সপ্তাহে একই কারণে এ রুটে ৫ দিন ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
রুবেলুর রহমান/এমএমজেড/এমকেএইচ