পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়রা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ০৫:৪৮ পিএম, ২২ আগস্ট ২০২০
দেশে ফেরার অপেক্ষায় বেনাপোল চেকপোস্টে অপেক্ষারত ভারতীয়রা

মহামারি করোনাভাইরাসের দুর্যোগে বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীরা দীর্ঘ পাঁচ মাসের বেশি সময় পর নিজ দেশে ফেরা শুরু করেছেন। ভারতে লকডাউন ও পাসপোর্টযাত্রী চলাচল বন্ধ থাকায় চলতি বছরের ১৩ মার্চ থেকে ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দেশে ফেরা বন্ধ ছিল।

সম্প্রতি বাংলাদেশে আটকা পড়া ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রীরা আগামী ২৪ আগস্ট বেনাপোল চেকপোস্টে অবস্থান করার ঘোষণা দেয়ার পরপরই ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ১৮ আগস্ট থেকে তিন শর্ত দিয়ে ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রীদের দেশে ফেরত নেয়ার ঘোষণা দেন। এর একদিন পর থেকেই ভারতে প্রবেশ করতে থাকেন ভারতীয় নাগরিকরা।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে ১৩ মার্চ থেকে ভারতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত সরকার। এতে করে ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রীরা আটকে পড়ে বাংলাদেশে। ১৮ আগস্ট ভারতীয় হাইকমিশনারের অনুমতিপত্র ও সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে ভারতে প্রবেশ করার শর্ত দেয় ভারত সরকার। এই শর্ত মেনে ১৯ আগস্ট সকাল থেকে ভারতে প্রবেশ করতে শুরু করেছে ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রীরা।

গত চারদিনে (১৯ আগস্ট-২২ আগস্ট) এই পথে ৮৩০ জন ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী নিজ দেশে ফিরে গেছেন। এর মধ্যে ১৯ আগস্ট ২৩৩ জন, ২০ আগস্ট ২৬১ জন, ২১ আগস্ট ১৮৭ জন ও ২২ আগস্ট ১৫০ জন।

Benapole-Indian-Passenger

ভারতীয় পাসপোর্টধারী নিরঞ্জন বাড়ই বলেন, আমার বাড়ি হুগলি জেলায়। পাঁচ মাস আগে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। দীর্ঘদিনের এই আতিথেয়তা সারা জীবনেও ভুলব না। আসলে বাংলাদেশিরা খুবই উদার মনের মানুষ।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবীব বলেন, ভারত সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকরা দেশে ফিরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশি যাত্রীরাও অনেকে শর্তসাপেক্ষে ভারতে প্রবেশ করছেন। তবে ইমিগ্রেশনের কর্মচাঞ্চল্য এখনও শুরু হয়নি।

জামাল হোসেন/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।