মাগুরায় খাদ্য অধিদপ্তরের দু’জন বরখাস্ত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাগুরা
প্রকাশিত: ১০:০৯ পিএম, ৩০ জুন ২০২২

মাগুরা জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের প্রধান সহকারী সৈয়দা সানিয়া আক্তার ও অফিস সহায়ক আলমগীর হোসেনকে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিকেলে তাদের বরখাস্তের আদেশ দিয়েছেন বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।

জানা গেছে, মাগুরা খাদ্য অধিদপ্তরের প্রধান সহকারী সৈয়দা সানিয়া আক্তার ও অফিস সহায়ক আলমগীর হোসেন ৪৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভুয়া পে-অর্ডারের মাধ্যমে সাব্বির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে খাদ্য গুদাম থেকে ১৭০ মেট্রিক টন ধান দেন। যার বিপরীতে তার ১১৩ মেট্রিক টন চাল খাদ্য গুদামে সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু পাঁচমাস অতিবাহিত হলেও তিনি চাল সরবরাহ করেননি।

গত ২১ জুন বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান ঝটিকা অভিযানে মাগুরা খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করে আমন সংগ্রহের চাল না পেয়ে বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন। তদন্তে এই ঘটনায় ওই দুজনের সংশ্লিষ্টতা উঠে আসে।

মাগুরায় খাদ্য অধিদপ্তরের দু’জন বরখাস্ত

মাগুরা জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনোতোষ কুমার মজুমদার ওই দুইজনকে সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০২১-২২ আমন সংগ্রহের যে ধান গুদামজাত করা হয়েছিল সেখান থেকে ৪৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভুয়া পে-অর্ডারের মাধ্যমে ১৭০ মেট্রিক টন ধান ছাড় করান তারা। এরপর কয়েকমাস পেরিয়ে গেলেও সেই ধানের বিপরীতে যে চাল সংগ্রহ করার কথা ছিল তা পাওয়া যাচ্ছিল না।

তিনি বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তা সুবির চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি সরেজমিনে অনুসন্ধান করে খুলনা বিভাগীয় কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। এ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মনোতোষ কুমার আরও বলেন, তবে সাবেক জেলা খাদ্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে খাদ্য অধিদপ্তর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]