নারায়ণগঞ্জের পশুহাটে আসছে গরু, বাড়ছে ক্রেতা
কোরবানির ঈদের আর মাত্র চারদিন বাকি। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জের পশুহাটগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় থেকে আসছে গরু, ছাগল ও ভেড়া। পশুর সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ক্রেতার পদচারণাও। এ বছর জেলায় ১ লাখ ২৯ হাজার গবাদিপশু বিক্রির কথা জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ জেলায় এ বছরের ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৫০টি গরু কোরবানির বিক্রির জন্য প্রস্তুত। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪০ হাজার ১২০টি, বন্দরে ২০ হাজার ১০০টি, রূপগঞ্জে ২০ হাজার ৫০টি, আড়াইহাজারে ২৩ হাজার ৫১০টি এবং সোনারগাঁয়ে ২৫ হাজার ৬৭০টি।

মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন পশুহাট ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গা থেকে হাটে গরু আনা হচ্ছে। কেউ ট্রাকে, কেউবা ট্রলারে আনছেন গরু। ছোট থেকে বড় সব সাইজের গরু হাটে সারি করে রাখা হচ্ছে। ক্রেতাদের পদচারণাও বেড়েছে। তবে ক্রেতারামাঝারি সাইজের গরু কিনছেন বেশি। অনেকে শুধু দাম যাচাই করছেন।
হাটে আসা মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘ঈদের এখনো আরও কয়েকদিন বাকি আছে। আপাতত গরুর দরদাম দেখছি। একই সঙ্গে পছন্দ করে রাখছি। ঈদের এক দুদিন আগে গরু কিনবো।’

ফতুল্লা ডিআইটি হাটের ইজারাদার সাইফ উল্লাহ বাদল বলেন, ‘প্রতি বছরই আমাদের হাটে ভালো সাড়া পেয়ে থাকি। এবারো গরু আসতে শুরু করেছে। এখনো ঈদের আরও কয়েকদিন বাকি আছে। ফলে গরু আসা শেষ হয়নি। আশা করছি এবারও বেচাকেনা ভালো হবে।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার জাগো নিউজকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি হাটে আমাদের ভেটেরিনারি টিম রয়েছে। একই সঙ্গে কোরবানির জন্য এবার পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাগ্রো ফারমগুলোর পশু বিক্রির ক্ষেত্রে তাদের যা সহায়তা দরকার তা আমরা করছি।

তিনি আরও বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা ও সুবিধার কথা চিন্তা করে হাটের পাশাপাশি অনলাইনে গরু কেনাবেচার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ প্ল্যাটফরমেও গরু বেচাকেনা জমে উঠেছে। এবার অনলাইনে পশু বিক্রি ২০০ কোটি টাকা ছাড়াতে পারে বলে খামারিরা আশা প্রকাশ করেছেন।
মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসজে/এমএস