সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রায়পুরার ইউএনও

শুধু সফল মানুষ নয়, এলাকার উন্নয়নভার কাঁধে নিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৯ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২২
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ইউএনও আজগর হোসেন/ছবি: সংগৃহীত

শুধু সফল মানুষ গড়ে তুললে হবে না। সফলতার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নের ভার কাঁধে নিতে হবে। প্রতিটি সেক্টরকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে। সঠিকভাবে শিক্ষা অর্জন করতে পারলে সফলতা আসবে। অনেকেই পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফল করছে। কিন্তু সফল হতে পারে না সঠিক শিক্ষার অভাবে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) নরসিংদীর রায়পুরার খলিলাবাদে শিক্ষিত তরুণদের সংগঠন ‘বাতিঘর’ আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান-২০২২-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রায়পুরা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আজগর হোসেন।

সঠিকভাবে শিক্ষা অর্জন করতে পারলে সফলতা আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফল করছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যখন ভর্তি পরীক্ষা হয়, সেখানে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম পাওয়া যায়। এখানে নিশ্চয়ই একটি ঘাটতি আছে। এখানে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী সবাই দায়ী। তাই আমাদের মানসম্মত শিক্ষার দিকে যেতে হবে।

আজগর হোসেন বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো শিক্ষার্থীরা যেমন বিভিন্নভাবে অসৎ উপায় অবলম্বন করে। আবার কিছু শিক্ষকরাও জড়িত হয়ে পড়েন। এতে করেই শিক্ষার্থীদের জীবন এখানে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। শহর এলাকায় এটা খুঁজে পাওয়া যাবে না। অসৎ উপায়ে এবং মেধা দিয়ে যখন পাস করছে, তারা দুজনেই একই পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এতে অনেকেই ঝরে যাচ্ছে এবং বেকারত্বের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সমাজে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে।

মাধ্যমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফল করেই সবকিছু হয়ে যাবে বিষয়টি এমন নয় উল্লেখ করে ইউএনও বলেন, ভালো ফল করতে পারেনি বলে সব শেষ হয়ে যাবে সেটা নয়। তারা জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সামনে অনেক পথ বাকি। তবে যাত্রাটা এখান থেকেই শুরু করতে হবে। সঠিকভাবে শুরু হয়ে শেষ হতে পারলে সফল হওয়া যাবে। এখন ভুল করে ফেললে পরে শোধরানোর সম্ভব নয়, এখনই শোধরাতে হবে।

সংগঠনের সভাপতি আপেল মাহমুদ বলেন, সরকার নানাভাবে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করে। তাই মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার সুযোগ কম। তবে পারিবারিক নানান সমস্যার কারণে অনেক মেধাবী পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে না। এসব শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার পাশাপাশি তাদের পরামর্শ দেওয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ এম সায়েদুল ইসলাম, খলিলাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শায়েস্তা খাতুন, খলিলাবাদ মডেল কে জি স্কুলের প্রিন্সিপাল মোবারক হোসেন কবির, আবদুস সাত্তার, হুমায়ূন কবির প্রমুখ।

আরএসএম/এএএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।