সাতক্ষীরায় চলছে শঙ্খচিলের শুটিং


প্রকাশিত: ০৮:৪৭ এএম, ২৪ মার্চ ২০১৫

সাড়া জাগানো ‘মনের মানুষ’ ছবির প্রায় ৫ বছর পর ‘শঙ্খচিল’ নামে নতুন ছবি নির্মাণ করছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষ। গত সপ্তাহেই কলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এই ছবির ব্যাপারে।

তারপর টানা তিনদিন ভারতের টাকী গ্রামীণ হাসপাতালে দৃশ্যধারণ করেছেন। বর্তমানে শঙ্খচিলের পুরো টিম বাংলাদেশে। গত সোমবার থেকে খুলনার সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শুটিং করছেন গৌতম ঘোষ।

এখানে অংশ নিচ্ছেন অভিনেতা প্রসেনজিত সেন ও অভিনেত্রী কুসুম শিকদারসহ দুই বাংলার একঝাঁক তারকাদের সমন্বয়ে গঠিত শঙ্খচিল’র গোটা ইউনিট।

ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন সায়ন্তনী পুতপুণ্ড।

পরিচালক জানালেন, সাতক্ষীরার দেবহাটা সদর, টাউনশ্রীপুর শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, চরশ্রীপুর, ভাঁতশালা ও কোমরপুর সীমান্ত ও নদীর তীরে চিত্রায়িত হবে ছবিটির কিছু দৃশ্য।

পরিচালক গৌতম ঘোষের পরিচালনায় ছবিটির কাজ চলছে বেশ তড়িঘড়ি করে। বাংলাদেশ থেকে এই ছবির প্রযোজনা করছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এবং এর পরিবেশক সংস্থা আশীর্বাদ চলচ্চিত্র। ভারতে ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকছে প্রসেনজিতের প্রযোজনা সংস্থা।

ছবিটি সম্পর্কে গৌতম ঘোষ বলেন, পাঁচ বছর আগে প্রসেনজিতকে নিয়ে তৈরি করেছিলাম মনের মানুষ। দুই দেশ থেকেই দারুণ সাড়া পেয়েছিলাম। আর এবার হচ্ছে ‘শঙ্খচিল’। প্রত্যাশা এবারও অনেক।

১৯৪৭ সালের দেশভাগ এবং পরবর্তী সময়ে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের গল্প নিয়েই বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছবিটির চিত্রগ্রহণ করা হচ্ছে।

শঙ্খচিল ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা প্রসেনজিত ও বাংলাদেশের কুসুম শিকদার। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও যেসব শিল্পী থাকছেন ছবিতে তাঁদের মধ্যে আছেন উষশী চক্রবর্তী, অরিন্দম শীল, অনুম রহমান খান, দীপংকর দে, প্রিয়াংশু চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।

এদিকে জাগোনিউজের স্থানীয় প্রতিনিধি জানালেন, শুটিংয়ে আসা ভারতের প্রসেনজিত সেনসহ দুই বাংলার জনপ্রিয় সব তারকাদের এক নজর দেখতে প্রশাসনের কড়াকড়ির মধ্যেও সব বয়সের দর্শকদের ছিলো উপচে পড়া ভিড়।

এমজেড/আরআইপি/এলএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।