নাটকের শুটিং করতে বাধা নেই আর

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪৪ পিএম, ২৯ মে ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে অনেকদিন ধরে নাটকের শুটিং বন্ধ রাখা হয়েছিল। আবারো টিভি নাটকের শুটিংয়ের অনুমতি দিয়েছে টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন।

সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টেলিপ্যাব), ডিরেক্টরস গিল্ড, শিল্পী সংঘ টিভি নাটকের এমন ১৯ সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত আন্তঃসংগঠনের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুন থেকে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে শুটিং করা যাবে। এ সভায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তা হলো—১. যেহেতু করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সামনের দিনগুলোতে আরো ভয়াবহ অবস্থা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তাই আন্তঃসংগঠনও শুটিং করার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করছে।

কিন্তু যাদের কাজ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে, তারা সাময়িকভাবে জীবন-জীবিকা চলমান রাখার স্বার্থে আন্তঃসংগঠনের দেওয়া স্বাস্থ্য বিধি মেনে যদি কেউ শুটিং কার্যক্রমে নিজ দায়িত্বে অংশ নিতে চান তাহলে তিনি তা করতে পারবেন।

২. সংশ্লিষ্ট ইউনিট শুটিং শুরু করার আগেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শুটিং কার্যক্রম শুরু করবেন। এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট শুটিং ইউনিটকে তার সম্পূর্ণ দায় বহন করতে হবে।

৩. প্রতিটি শুটিং ইউনিটের সকল শিল্পী-কলাকুশলী প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলছেন কিনা তা খতিয়ে দেখবেন। সমস্যা দেখা দিলে প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সহায়তা নিয়ে তারা তা নিজ উদ্যোগে সমাধান করবেন।

৪. এই ঘোষণা সরকারের ছুটি ও লকডাউন বিষয়ক ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিস্থিতি বিবেচনায় শুটিং কার্যক্রম যেকোনো সময় স্থগিত অথবা সম্পূর্ণভাবে বাতিল হতে পারে।

গত ২২ মার্চ থেকে টেলিভিশন নাটকের সব ধরনের শুটিং বন্ধ ছিলো। সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কয়েকবার শুটিং বন্ধের সময় বৃদ্ধি করা হয়। গত ১৫ মে শর্ত সাপেক্ষে নাটকের শুটিং করার অনুমতি দিয়েছিল টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। কিন্তু অনুমতি দেওয়ার একদিন না পেরুতেই আবারও শুটিং বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো। এখন থেকে উপরক্ত শর্ত মেনে আবারও শুটিং করা যাবে।

এমএবি/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]