জায়েদের বিরুদ্ধে সানির অভিযোগ নিয়ে যা বললেন ইলিয়াস কাঞ্চন

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪৬ পিএম, ১৪ জুন ২০২২

জায়েদ খান ও ওমর সানির ঘটনায় কয়েকদিন ধরে উত্তাল চলচ্চিত্রপাড়া। বাংলাদেশ শিল্পী সমিতিতে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওমর সানি। সেখানে তিনি জায়েদের বিরুদ্ধে সংসার ভাঙা ও তাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ আনেন।

এই বিষয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বরাবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সানি। সমিতির সভাপতি কি ভাবছেন?

ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমে বলেন, ‘ওমর সানির দেয়া লিখিত অভিযোগের চিঠি হাতে পেয়েছি। এই বিষয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আগামী সভায় কথা হবে। তারপর সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্যরা মিলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

সভা কবে হবে তা নিশ্চিত করেননি ইলিয়াস কাঞ্চন। জানান, অল্প কিছুদিন আগেই একটি সভা হয়ে গেছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বরাবর অভিযোগপত্রে ওমর সানি লেখেন, ‘জায়েদ খান দ্বারা আমার সংসার ভাঙা এবং আমাকে পিস্তল বের করে মেরে ফেলার হুমকি প্রসঙ্গে অভিযোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ওমর সানি অত্র সমিতির একজন সদস্য এবং সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি ছিলাম। দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আসছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, সমিতির সদস্য জায়েদ খান চার মাস ধরে আমার স্ত্রী আরিফা পারভীন জামান মৌসুমীকে নানাভাবে হয়রানি ও বিরক্ত করে আসছে। আমার সুখের সংসার ভাঙার জন্য বিভিন্ন কৌশলে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে আসছে। এ ব্যাপারে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিয়ে বারবার বোঝানো চেষ্টা করেছি।

তার প্রমাণ আমার এবং আমার ছেলের কাছেও আছে। তাছাড়া মুরুব্বি হিসেবে আমি ডিপজল ভাইয়ের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করেছি। কিন্তু ওই বিষয়ের কোনো সমাধান হয়নি। ডিপজল ভাইয়ের ছেলের বিয়েতে জায়েদ খানের সাথে দেখা হলে এ বিষয়ে সংযত হওয়ার জন্য আমি অনুরোধ করি। এতে সে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং হঠাৎ করে তার পিস্তল বের করে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

অতএব আমি মনে করি এমন একজন পিস্তলধারী সন্ত্রাসী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য থাকতে পারে না। উল্লেখিত বিষয়ে বিশেষভাবে বিবেচনা-পূর্বক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি বিনীত অনুরোধ করছি।’

এমআই/এলএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।