মিতুর কণ্ঠে লালনের ‘সব লোকে কয়’

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৪ পিএম, ২২ জুন ২০২২

এ প্রজন্মের তরুণ কণ্ঠশিল্পী কানিজ খন্দকার মিতু। টাংগাইলের মেয়ে মিতুর গানের তালিম শুরু হয় ওস্তাদ গোলাম রাব্বানী রতনের কাছে। তিনি মিতুকে নিজের মেয়ের মত করেই গানের তালিম দেন। মিতুও তাকে গুরু বাবা বলেই ডাকেন।

মিতু নিজের ধ্যান-জ্ঞান একাকার করে সঙ্গী করেছেন গানকে। স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপটি শুরু হয় তার ব্র্যাক ব্যাংক নিবেদিত সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো 'মেঘে ঢাকা তারা'য় অংশ নিয়ে। ২০১১ আয়োজিত এটিএন বাংলায় প্রচারিত এই আয়োজনে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন তিনি।

এবার বিশ্ব সংগীত দিবস ২১ জুন ‘কোক স্টুডিও’র বাংলা ভার্সন'র ‘সব লোকে কয়’ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মিতু। গানটি প্রযোজনার পাশাপাশি সংগীতায়োজন করেছেন শায়ান চৌধুরী অর্ণব।

গানটির বিষয়ে মিতু বলেন, ‘এত বড় প্ল্যাটফর্মে লালন সাঁইজির গান করতে পেরেছি এটি আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। এজন্য প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই অর্ণবদার প্রতি। তিনি না থাকলে এই সুযোগটি পাওয়া হতো না। পাশাপাশি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই আমার ওস্তাদ গোলাম রাব্বানী রতনের প্রতি। তিনি আমার পাশে ছায়ার মতো না থাকলে হয়তো এতদূর আসা সম্ভব হতো না। এছাড়াও আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'

কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগীত বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন মিতু। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে লোক বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত।

প্রসঙ্গত, মিতুর গাওয়া ‘সব লোকে কয়’ গানের সঙ্গে ভারতীয় ফোকের মিশ্রণে ফিউশন তৈরি করা হয়েছে। এই অংশের শিরোনাম ‘কবিরা কুয়া এক হ্যায়’। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের গায়ক মুর্শিদাবাদী। এটি পনেরো শতকের ভারতীয় রহস্যবাদী কবি এবং সাধক কবীর দাশের লেখা।

এলএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]