জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য আবেদনের শেষ দিন আজ

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৯ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২১-এর জন্য প্রযোজকদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহ্বান করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২৮টি বিভাগে এই আবেদন গ্রহণ করা হবে। মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক তথ্যবিবরণীতে বিষয়টি জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রযোজকদের নির্ধারিত ছকে আবেদন করতে হবে। আবেদনের ফরম ও ছক বিনামূল্যে বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

আবেদনের ফরম সেন্সর বোর্ডের ওয়েবসাইট www.bfcb.gov.bd থেকে ডাউনলোড করেও ব্যবহার করা যাবে। প্রত্যেক আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্রের যথাযথ মানসম্পন্ন সিডি, ডিভিডি ও পেনড্রাইভ জমা দিতে হবে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, শুধু বাংলাদেশি নাগরিকরা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন। যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে, তবে যৌথ প্রযোজনা চলচ্চিত্রের বিদেশি শিল্পী এবং কলাকুশলীরা পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিবেচনাযোগ্য চলচ্চিত্রকে অবশ্যই বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সনদপত্র পাওয়া এবং বিবেচ্য বছরে (২০২১ সালে) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিপ্রাপ্ত হতে হবে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তবে সেগুলোকে বিবেচ্য বছরে (২০২১ সালে) সেন্সর সনদপত্রপ্রাপ্ত হতে হবে।

১৯৭৫ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ সরকার চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষ এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হয়।

১৯৮১ সালে কোনো পুরস্কার দেওয়া হয়নি। কারণ জুরি বোর্ড কোনো চলচ্চিত্রকে পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য মনে করেনি। এ ছাড়া ২০০৮ সালে সরকার একসঙ্গে চার বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করে (২০০৪, ২০০৫, ২০০৬ ও ২০০৭)।

পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের আঠারো ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম স্বর্ণের একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা দেওয়া হয়। শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক ও শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজককে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালককে ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হয়। ২০১৯ সালের নভেম্বর মাস থেকে আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তকে তিন লাখ টাকা, শ্রেষ্ঠ প্রযোজক ও পরিচালককে দুই লাখ টাকা এবং অন্যদের এক লাখ টাকা দেওয়া হয়।

এমআই/জেএস/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।