সাধারণ মানুষের সৃজনশীলতা ছাড়িয়ে গেছে চ্যাটজিপিটি: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৩০ পিএম, ২৩ জুলাই ২০২৩
ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী আলোচনায় রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি। গুগলের মতো লিংক নয়, যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর সরাসরি উপস্থাপনে সক্ষম এ চ্যাটবট পৃথিবীজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এবার এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, সাধারণ মানুষের সাধারণ চিন্তাভাবনা বা সৃজনশীলতাকে এরই মধ্যে ছাড়িয়ে গেছে এটি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মন্টানার এক গবেষণায় ‍উঠে এসেছে, চ্যাটজিপিটির উত্তর ও সৃজনশীলতা শীর্ষ ১ শতাংশ চিন্তাবিদদের সৃজনশীলতার সঙ্গে মেলে। অর্থাৎ চ্যাটজিপিটির সৃজনশীলতা বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ চিন্তাবিদদের সৃজনশীলতার সীমানায় পৌঁছে গেছে।

জানা যায়, এ গবেষণার জন্য প্রথমে গবেষকরা চ্যাটজিপিটি ইঞ্জিনে ‘টরেন্স টেস্ট অব ক্রিয়েটিভ থিংকিং’ এ (টিটিসিটি) পরীক্ষা নেন ও আটটি উত্তর বা প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করেন। পরে তারা একই বিষয়ে মন্টানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ জন শিক্ষার্থীকে টিটিসিটি নেন। পরীক্ষায় এআই ও মন্টানা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অর্জন করা স্কোরকে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের দুই হাজার ৭০০ জন সাধারণ শিক্ষার্থীর উত্তরের সঙ্গে তুলনা করা হয়, যারা সবাই টিটিসিটি দেওয়া।

ফলাফল নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়া স্কলাস্টিক টেস্টিং পরিষেবা দ্বারা পরিচালনা করা হয়েছিল, তবে সেখানে যে এআই থেকে সংগ্রহ করা প্রতিক্রিয়া ছিল তা জানানো হয়নি। গবেষকদের মতে, চ্যাটজিপিটির উত্তরগুলো সবচেয়ে চিন্তাশীল শিক্ষার্থীর উত্তরের মতোই সৃজনশীল ছিল। আর চ্যাটজিপিটির সৃজনশীলতা সাধারণ চিন্তা-ভাবনাসম্পন্ন মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে ছাড়িয়ে গেছে।

গবেষকটির পরিচালক ও ইউএম কলেজ অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. এরিক গুজিক বলেন, আমরা সবাই চ্যাটজিপিটির সৃজনশীলতার সীমা নির্ণয়য়ের চেষ্টা করছিলাম। গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটবটটি এমন কিছু আকর্ষণীয় জিনিস করছে, যা আমরা আশাই করিনি। কিছু প্রতিক্রিয়া ছিল আসলেই অভিনব ও আশ্চর্যজনক। তখনই আমরা এটির সৃজনশীলতা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিই।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের গবেষণা সম্পূর্ণ নতুন। আমরাই প্রথমবারের মতো দেখিয়েছি যে, চ্যাটজিপিটি ও জিপিটি- ৪ এর সৃজনশীলতা সাধারণ মানুষের চিন্তাভাবনার সীমানাকে ছাড়িয়ে বহুদূরে পৌঁছে গেছে। সময় যত বাড়বে এ সৃজনশীলতাও বাড়তে থাকবে।

টিটিসিটি-তে বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া রয়েছে। তার মধ্যে মৌখিক ও চিত্রগত প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্য। দুটি প্রক্রিয়া ভিন্নভাবে ফলাফল উপস্থাপন করে।

সূত্র: সিএনবিসি

এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।