আলু-ভাতেই ফিট রানি মুখার্জি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:২৯ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রানি মুখার্জি, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

পর্দায় তিনি কখনও দাপুটে পুলিশ অফিসার, কখনও আবেগে ভরপুর চরিত্রে অনবদ্য। ৪৭ বছর বয়সেও অ্যাকশন দৃশ্যে সমান সাবলীল রানি মুখার্জি। ‘মর্দানি ৩’-এ তার দৃঢ় উপস্থিতি আবারও প্রমাণ করেছে, ফিটনেস মানেই শুধু কড়া ডায়েট নয়। বরং নিজের শরীর ও খাদ্যাভ্যাসকে বুঝে চলাই আসল চাবিকাঠি, এমনটাই বিশ্বাস রানির।

এক সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কখনও কি ওজন কমাতে কঠোর ডায়েট মেনে চলেছেন? প্রশ্ন শুনে হেসেই উত্তর দেন অভিনেত্রী, ‘না, আমার দ্বারা সেটা হয় না।’ রানির সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তি, খাবারের ক্ষেত্রে তিনি বেশ খুঁতখুঁতে। মাছ যদি ভালো করে কড়া ভাজা না হয়, তবে তার মন ভরে না। ফলে কঠোর নিয়মের ডায়েট তার কাছে প্রায় অসম্ভবই।

আলু-ভাতেই ফিট রানি মুখার্জিনিজেকে তিনি স্পষ্টভাবেই ‘ভেতো বাঙালি’ বলে পরিচয় দেন। তাই রোজকার খাদ্যতালিকা থেকে ভাত বাদ দেওয়া তার পক্ষে কল্পনাতীত। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বাড়ে এ কথা জানা সত্ত্বেও ভাত তার চাই-ই চাই। ভাতের সঙ্গে সর্ষের তেল আর কাঁচামরিচ মাখা আলু সেদ্ধতেই তার তৃপ্তি।

শুধু তাই নয়, গুড়ও তার প্রিয়। ‘গুড় ছাড়া আমার চলে না,’ অকপটে জানিয়েছেন রানি। গুড় যে এক ধরনের চিনি, তা তিনি জানেন। তবুও ছোটবেলা থেকে অভ্যস্ত স্বাদের সঙ্গে আপস করতে নারাজ অভিনেত্রী।

আলু-ভাতেই ফিট রানি মুখার্জিবলিউডে অনেক তারকাকেই চরিত্রের প্রয়োজনে বা ফিটনেস ধরে রাখতে কঠোর খাদ্যনিয়ম মানতে হয়। কিন্তু রানি মনে করেন, আধুনিক ডায়েটের চাপে ছোটবেলার চেনাজানা খাবার পুরোপুরি ছেঁটে ফেলা বাস্তবসম্মত নয়। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে যেসব খাবারে শরীর অভ্যস্ত, সেগুলো হঠাৎ বাদ দিলে তা মানসিক ও শারীরিক দুই দিক থেকেই চাপ তৈরি করতে পারে।

আলু-ভাতেই ফিট রানি মুখার্জিরানির ফিটনেসের রহস্য তাই একেবারেই আলাদা। অতিরিক্ত বঞ্চনা নয়, বরং পরিমিতি ও ভারসাম্য। প্রিয় খাবার খেয়েও সুস্থ থাকা সম্ভব, যদি জীবনযাপন থাকে নিয়ন্ত্রিত এবং সচেতন। অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে সাবলীল অভিনয় হোক বা ব্যক্তিগত জীবনের সরল খাদ্যাভ্যাস রানি বারবার দেখিয়েছেন, ফিটনেসের সংজ্ঞা সবার জন্য এক নয়। কারও জন্য তা কঠোর ডায়েট চার্ট, আবার কারও জন্য ভাত-আলুসেদ্ধর সহজ সুখ।

জেএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।