একদিকে গায়ে হাত আরেক হাতে ফ্যামিলি কার্ড নারীরা চায় না: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৮:২১ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান/ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

একদিকে গায়ে হাত আরেক হাতে ফ্যামিলি কার্ড নারীরা চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল-কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

একটি দলের দিকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড, আরেক হাতে মায়ের গায়ে হাত; আমার মায়ের মর্যাদার চেয়ে ওই ফ্যামিলি কার্ডের কোনো মূল্য নেই।

তিনি বলেন, আমাদের মায়েদের গায়ে হাত দিলে আগুন জ্বলে উঠবে। ভয় দেখিয়ে আমাদের গতিপথ পরিবর্তন করা যাবে না।

জামায়াত আমির বলেন, যুবসমাজ যে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল, তাদের মূল দাবি ছিল ন্যায্যতা। যারা সে ন্যায্যতা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

আরও পড়ুন
একটি দল মা-বোনদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, ঘরে বন্দি করতে চাচ্ছে

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে এবং আল্লাহর দেওয়া বিধানের আলোকে বাংলাদেশকে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় জামায়াতে ইসলামী। যুবসমাজ ভিক্ষা বা বেকার ভাতা চায়নি, তারা কাজ চেয়েছে এবং দেশ গড়তে চেয়েছে।

তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে যুবসমাজকে বেকার ভাতা দিয়ে ‘অসম্মান’ করা হবে না, বরং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যুবসমাজকে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে আনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

নারীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মা-বোনদের ঘরে, চলাচলে ও কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মায়ের মর্যাদা রক্ষায় আমরা সর্বশক্তি প্রয়োগ করবো।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে জামায়াত আমির বলেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চান না, চান দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। জনগণের মুক্তির দিনই জামায়াতের রাজনৈতিক লক্ষ্য সফল হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি গোষ্ঠী বন্দরকে কেন্দ্র করে সুবিধা নিয়েছে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দর জনগণের স্বার্থেই পরিচালিত হবে।

এমডিআইএইচ/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।