যুব ক্রিকেটারদের মধ্যে যাদের মনে ধরেছে ডোমিঙ্গোর

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪১ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২০

যুব দল বিশ্বকাপ জিতেছে। ভবিষ্যতের সাকিব-তামিম-মুশফিকরা তো উঠে আসবেন এখান থেকেই। তবে জাতীয় দলের কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর এই খেলোয়াড়দের সামনে থেকে দেখার সুযোগ হয়নি এতদিন। এবার প্রেসিডেন্টস কাপের মাধ্যমে যে সুযোগটা হলো।

যুব বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারদের ছাড়াও জাতীয় দলের পাইপলাইনে থাকা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কেই এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে সামনে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে ডোমিঙ্গোর। কয়েকজনকে তো আলাদা করেই নজরে পড়েছে জাতীয় দলের দক্ষিণ আফ্রিকান এই কোচের।

তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘আমি সত্যিই তাদের দেখে আপ্লুত। রিশাদের (১৮ বছর বয়সী লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন) মতো অনেকেই খুব ভালো বল করেছে। হৃদয় (২১ বছর বয়সী তৌহিদ হৃদয়), জয় (১৯ বছরের মাহমুদুল হাসান জয়) দারুণ খেলেছে। এবারই প্রথমবার আমি ইরফানকে (২৭ বছর বয়সী ইরফান শুক্কুর) খেলতে দেখলাম। আমাদের জন্য ইতিবাচক অনেক কিছু আছে।’

তরুণরা যে প্রেসিডেন্টস কাপের বদৌলতে সিনিয়রদের সঙ্গে খেলতে পেরেছেন, এটাকেই বড় প্রাপ্তি মনে করছেন ডোমিঙ্গো। তার ভাষায়, ‘কয়েকজন তরুণের সিনিয়রদের সঙ্গে খেলতে পারার দারুণ অভিজ্ঞতা অর্জন হয়েছে। তাদের উদ্যম, চেষ্টা এবং তরুণ কয়েকজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স আমার খুব ভালো লেগেছে।’

তাহলে কি খুব দ্রুতই এসব তরুণদের কাউকে জাতীয় দলে দেখা যাবে? ডোমিঙ্গো অবশ্য এই জায়গায় ‘ধীরে চলো’ নীতির পক্ষে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এই তরুণ খেলোয়াড়দের গড়ে উঠার জন্য যতটা সম্ভব সময় দিতে হবে। এমন করা যাবে না যে তরুণ একজন খেলোয়াড় বিশেষ করে ব্যাটসম্যানকে খুব দ্রুত সুযোগ দিয়ে দিলেন, আবার ব্যর্থ হলে তাকে দুই-তিন বছরের জন্য বাদ দিয়ে দিলেন আর ভুলে গেলেন। তাই খেলোয়াড়দের দলে আনার আগে নিশ্চিত করতে হবে যে সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পারফর্ম করার জন্য প্রস্তুত কি না।’

ডোমিঙ্গো যোগ করেন, ‘কাউকে তো সরাসরি অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে জাতীয় দলে নিয়ে আসা যাবে না, যদি না সে অবিশ্বাস্য প্রতিভা হয়। কারণ অনূর্ধ্ব-১৯ আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এক নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারকে মোকাবেলা করে লর্ডসে জোফরা আর্চার কিংবা পার্থে স্টার্ককে মোকাবেলা করার প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব নয়। এটা অনেক বড় ধাপ। এই খেলোয়াড়দের নিয়ে ধৈর্য্য ধরতে হবে। তাদের বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে।’

এমএমআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]