১১৩৮ রান নিয়েই লিগ শেষ করলেন এনামুল হক বিজয়
আগের ম্যাচেই বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন এনামুল হক বিজয়। কোনো নির্দিষ্ট লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট কিংবা লিগে বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১ হাজার রানের গণ্ডি পার হয়েছিলেন বাংলাদেশের এই ওপেনার। রূপগঞ্জ টাইগার্সের বিপক্ষে ১১২ রান করেছিলেন তিনি। সেই সেঞ্চুরি দিয়ে বিজয়ের মোট রান হয়ে যায় ১০৪২।
কোনো নির্দিষ্ট লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট কিংবা লিগে এর আগে সর্বোচ্চ ৯৭১ রানের রেকর্ড ছিল অস্ট্রেলিয়ার টম মুডির। ১৯৯১ সালে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।
সে সঙ্গে বাংলাদেশের লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্টে গত বছর সাইফ হাসানের গড়া ৮১৪ রানের রেকর্ডটাও ভেঙেছিলেন বিজয়। গত বছর এপ্রিলে সাইফ হাসান এ রেকর্ড গড়েছিলেন।
তবে, এনামুল হক বিজয় তার রেকর্ডটাকে আরও দীর্ঘ করলেন। লিগের শেষ ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে আবারও সেঞ্চুরির একেবারে দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিলেন তিনি। করেছেন ৯৬ রান। মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও তিনি লিগ শেষ করলেন গৌরবময় ১১৩৮ রান নিয়ে।
লিগের প্রথম থেকে যেভাবে ব্যাট করা শুরু করেছিলেন বিজয়, তা ছিল রীতিমত অবিশ্বাস্য। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই তার রান পঞ্চাশোর্ধ। শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে এক ম্যাচে তো তার ব্যাট থেকে বেরিয়ে এসেছিল ১৮৪ রানের ইনিংস।
মোট ৩টি সেঞ্চুরি করেছেন। এক ম্যাচে কেবল রান করতে পারেননি। বাকি সব ম্যাচেই কম বেশি তার রান করেছেন তিনি। হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ৯টিতে। অর্থ্যাৎ, ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১২ ম্যাচেই তার রান ছিল পঞ্চাশোর্ধ। রান তোলার গড় ছিল ৮১.২৯ করে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান নাঈম ইসলামের। ১৫ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮৩৬ রান। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত করেছেন ৬৫৮ রান। তিনি রয়েছেন তৃতীয় অবস্থানে।
এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সেরা ১০ ব্যাটার
|
নাম |
ম্যাচ |
রান |
সর্বোচ্চ |
গড় |
১০০/৫০ |
|
এনামুল হক বিজয় |
১৫ |
১১৩৮ |
১৮৪ |
৮১.২৯ |
৩/৯ |
|
নাঈম ইসলাম |
১৫ |
৮৫৯ |
১২৪ |
৬৪.৩১ |
২/৫ |
|
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত |
১৫ |
৬৫৮ |
৮৮ |
৪৭.০০ |
০/৭ |
|
জাকির হাসান |
১৫ |
৬৩৬ |
১২৪ |
৪৪.৭৯ |
২/৩ |
|
চিরাগ জানি |
১৫ |
৫৯৭ |
১২২ |
৪৯.৭৫ |
১/৪ |
|
অমিত হাসান |
১২ |
৫৭৫ |
১০৭* |
৫৭.৫০ |
২/৩ |
|
ফজলে মাহমুদ রাব্বি |
১৫ |
৫৩৭ |
১০৪* |
৫৩.৩০ |
২/৩ |
|
সাব্বির রহমান |
১৫ |
৫১৫ |
১২৫ |
৪১.৩৩ |
১/১ |
|
মেহেদী মারূফ |
১৪ |
৫১৩ |
১১৮ |
৩৯.৪৬ |
১/৩ |
|
ইমরুল কায়েস |
১৫ |
৫১৩ |
১২২ |
৩৯.৪৬ |
১/৩ |
আইএইচএস/