সাকিবের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, এবাদতের ‘আক্ষেপ’ রানআউট

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৮ পিএম, ২৬ মে ২০২২

দিনেশ চান্দিমালের পর রমেশ মেন্ডিসকেও ফেরালেন এবাদত হোসেন। মাঝে নিরোশান ডিকভেলার উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। তখন তাদের দুজনেরই উইকেট সমান ৪টি। প্রাবিন জয়াবিক্রমকে কট বিহাইন্ড করিয়ে নিজের ফাইফার তুলে নিলেন সাকিব। কিন্তু পারেননি এবাদত। সাকিবের রানআউটে শেষ হলো শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

জয়াবিক্রমকে আউট করার মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ ৪৬ মাসের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছেন সাকিব। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জ্যামাইকার স্যাবাইনা পার্কে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব। এরপর মাঝের ৪৬ মাসে আর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফাইফার পাননি তিনি।

অবশ্য এ সময়ের মাঝে খুব বেশি টেস্ট খেলেননি এ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে এক বছর খেলার বাইরে ছিলেন। সবমিলিয়ে শেষ ফাইফারের পর তিনি খেলেন সাত ম্যাচ। যেখানে সবমিলিয়ে ২৩ উইকেট পেলেও, ছিলো না ফাইফার। এর মধ্যে ওয়ানডেতে দুই ও টি-টোয়েন্টিতে একবার ফাইফার নিয়েছেন সাকিব।

সাকিবের এই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটার দিন এবাদতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো ফাইফার নেওয়ার সুযোগ। তিনি শেষ উইকেটটি নিতে পারলেই হয়ে যেতো পাঁচ উইকেট। কিন্তু সাকিবের ওভারে বিশ্ব ফার্নান্দো রানআউট হওয়ার কারণে এবাদত ফাইফার নিতে পারেননি।

কিন্তু সাকিবের মতো এবাদতও যদি পাঁচ উইকেট পেতেন, তাহলে দীর্ঘ ১২ বছর পর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের কোনো পেসার ফাইফার নেওয়ার নজির গড়তেন। শুধু তাই নয়, মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো একই ইনিংসে বাংলাদেশের দুই বোলার পাঁচ উইকেট নেওয়ার ঘটনা ঘটতো। কিন্তু রানআউটের কারণে হলো না সেটি।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সমান ৫ উইকেট করে নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান ও শাহাদাত হোসেন রাজীব। টেস্ট ক্রিকেটে ঘরের মাঠে কোনো বাংলাদেশি পেসারের ফাইফার নেওয়ার সেটিই শেষ ঘটনা। আজ এর সম্ভাবনা জাগালেও অল্পের জন্য পারলেন না এবাদত।

এসএএস/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]