নারী ফুটবলারদের প্রতিভা দেখে বিস্মিত সিজার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৪ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২০

বৃহস্পতিবার সকালে দিনের কার্যক্রমের শুরুতেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক হুলিও সিজার, ঘুরে দেখেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরও। এ সময় বাফুফে কর্মকর্তা ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলো অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা।

পরে বেলা পৌনে একটার দিকে সিজার বাফুফে ভবনে এলে, তার মিনিট বিশেক পরেই সেখানে চলে আসেন নারী ফুটবলাররাও। ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক যখন ওপরে উঠে যান খানিক বিশ্রাম নিতে, তখন নারী ফুটবলাররা চলে যান আর্টিফিশিয়াল টার্ফে। সেখানে কোচ গোলাম রাব্বানি ছোটনের তত্বাবধানে শুরু হয় গা গরমের অনুশীলন।

কিছুক্ষণ পরেই পুরোদস্তুর ফুটবলার সেজে নিচে নেমে আসেন সিজার। প্রথমে ট্রেনিং সেশন করেন জাতীয় দলের আশপাশে থাকা গোলরক্ষক সাইফুল, হিমেল, নেহাল, রানা, আজাদ, নাইমদের নিয়ে। সেখান সেটপিস ও ক্রসের বিপক্ষে গোলকিপিং করার ছোট ছোট টেকনিক। এরপর তিনি সময় দেন নারী ফুটবলারদের ক্যাম্পে থাকা গোলরক্ষকদের।

হিমেল-রানাদের মতোই নারী গোলরক্ষকদেরও স্পট কিক ও সেট পিসের ব্যাপারে ট্রেনিং দেন সিজার। এছাড়াও দেখান কীভাবে দ্রুতগতির বল ঠেকাতে হবে। পরে তিনি নিজেই গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে ঠেকাতে শুরু করেন নারী ফুটবলারদের নেয়া পেনাল্টি শট। প্রায় সবগুলো তিনি সফলতার সঙ্গে ঠেকালেও, মিস করেন কয়েকটি শট। ট্রেনিং সেশন শেষ করে ফের বাফুফে ভবনে প্রবেশ করেন সংবাদ সম্মেলনের জন্য।

যেখানে তিনি জানান, বাংলাদেশের এসব নারী ফুটবলারদের প্রতিভা রীতিমতো বিস্মিত করেছে তাকে। সিজার বলেন, ‘আমি সত্যিই অবাক হয়েছিলাম তাদের (নারী ফুটবলারদের) দেখে। গোলপোস্টের নিচে তাদের মুভমেন্ট দেখে আমি সত্যিই বিস্মিত ছিলাম। এটা অবশ্যই ইতিবাচক অর্থে বলছি। এত মেয়েদের ফুটবলে আসতে দেখা সত্যিই দারুণ ব্যাপার।’

তিনি আরও বলেন, ‘মজার বিষয় হলো, আজকে আমি অনেককেই দেখলাম গোলরক্ষক হিসেবে খেলছে। এটা আমার জন্য সত্যিই ভালো লাগার বিষয়। কারণ বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় খেলোয়াড়রা মাঠে খেলতে চায়। তারা মিডফিল্ডার বা স্ট্রাইকার হতে চায়, গোলরক্ষক হতে চায় না। আজকে আমি সৌভাগ্যবশত অনেক গোলরক্ষকের দেখা পেলাম।’

এসএএস/আইএইচএস/পিআর