আবাসিক হলে সিট দাবি

জাবিতে মধ্যরাতে উপাচার্য ভবনের সামনে ছাত্রীদের অবস্থান

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ১১:৫৮ পিএম, ২৩ জুলাই ২০২৩

আবাসিক হলে সিট বরাদ্দের দাবিতে মধ্যরাতে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কয়েকটি হলের সাধারণ ছাত্রীরা।

রোববার (২৩ জুলাই) রাত ৮টার দিকে খালেদা জিয়া হল, প্রীতিলতা হল ও শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌরঙ্গী এলাকায় জড়ো হন। পরে তারা সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

আন্দোলনরত ছাত্রীদের অভিযোগ, দেড় বছর ধরে তারা আবাসিক হলের গণরুমে অবস্থান করছেন। তাদের গণরুমে না রাখার প্রতিশ্রুতিতে প্রথম দিকে দুই মাসের বেশি অনলাইনেও ক্লাস নেওয়া হয়। তবুও তাদের আসন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাই অবিলম্বে আবাসিক হলে তাদের আসন বরাদ্দ দিতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া জাগো নিউজকে বলেন, এ তীব্র গরমে অপর্যাপ্ত ফ্যান, জানালার অভাবসহ নানা অসুবিধার মধ্যে আমরা ৯৫ জন ছাত্রী একসঙ্গে গণরুমে থাকি। তীব্র গরমে গণরুম থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। মশার কামড়ে এরই মধ্যে কয়েকজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। অনেকে সর্দি-কাশিতে ভুগছে। আমরা বাধ্য হয়ে সাতদিনের মধ্যে সিট বরাদ্দের দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছি।

jagonews24

রাত ৯টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আবু হাসান ও খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শারমিন সুলতানা।

প্রভোস্ট শারমিন সুলতানা বলেন, ছাত্রীদের সমস্যা নিয়ে তো আমার সঙ্গে আগে বলতে হবে। আমরা তাদের সমস্যা সমাধান করে দেবো। কিন্তু তারা তা না করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে চলে এসেছে। আমরা আবাসন সংকট দূর করার চেষ্টা চালাচ্ছি।

তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বা হল প্রভোস্টের সঙ্গে কোনো প্রকার আলোচনা করবে না বলে জানিয়েছেন অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা। রাত ১১টায়ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিলেন ছাত্রীরা।

এরপর রাত সোয়া ১১টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমের আশ্বাসে হলে ফেরেন ছাত্রীরা। এসময় উপাচার্য বলেন, জনবল সংকটের কারণে নতুন হল চালু করতে পারছি না। দ্রুত সময়ে হল খোলার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে কথা বলবো। নতুন হল চালু করতে পারলে গণরুম থাকবে না। শিক্ষার্থীদের কষ্টও লাঘব হবে।

মাহবুব সরদার/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।