৪৫ কিলোমিটার এলাকা যানজটে স্থবির
তীব্র যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক। যানজটের কবলে মহাসড়কের যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ৪৫ কিলোমিটার এলাকা যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে। পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজট দেখা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র যানজট দেখা যায়। অনেকটা থেমে থেকে চলছে এই মহাসড়কের যানবাহন।
পুলিশ জানায়, যানজট নিরসনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত বুধবার রাত থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে টাঙ্গাইলের করটিয়া থেকে মির্জাপুর ও গাজীপুর জেলার চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এলাকার দুই পাশে যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে ঈদে ঘরমুখো মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের নাটিয়াপাড়া, জামুর্কি, পাকুল্যা, শুভুল্লা, ইচাইল, গোড়াইল নয়াপাড়া, মির্জাপুর বাইপাস, বাওয়ার কুমারজানি, দেওহাটা, ধেরুয়া, সোহাগপাড়া, গোড়াই, ক্যাডেট কলেজ ও বোর্ড এলাকায় ভয়াবহ যানজট লেগে আছে। পাশাপাশি এই মহাসড়কের অধিকাংশ এলাকায় যানবাহন চলছে থেমে থেমে।
গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান জানান, উত্তরাঞ্চলের ২২টি জেলার যানবাহন ছাড়াও টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর জেলার গরুবাহী ট্রাক ও যানবাহন এখন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং বঙ্গবন্ধু সেতু জাতীয় মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে।
এছাড়াও পাটুরিয়ায়-দৌলতদিয়া ঘাট বন্ধ থাকায় দক্ষিণাঞ্চলে বেশ কয়েকটি জেলার যানবাহন এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করছে। একই সঙ্গে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চার লেনের কাজ, কয়েকটি ফ্লাইওভারের কাজ, দুর্ঘটনা এবং গাড়ি বিকল হওয়ায় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
ওসি মো. খলিলুর রহমান জানান, যানজট নিরসন ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গোড়াই ও এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, জেলা ও থানা পুলিশ, র্যাব,আনসার, জেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।
আরিফ উর রহমান টগর/এএম/পিআর