ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতাল ভাঙচুর, আটক ৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিকানা নিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে শহরের গ্র্যান্ড হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণের পর ক্লিনিকের ভেতর থেকে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটকরা হলেন, জিয়াউল হক (৪৫), এনামুল হক (৫২), হারিজ মিয়া (৫২), মুত্তাকিন (১৮), রবিন ভূইয়া (২০), রাসেল ভূইয়া (২২) ও আফরিন খন্দকার (৩৫)। তারা শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও ক্লিনিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গ্র্যান্ড হাসপাতালের মালিকানা নিয়ে শেয়ার হোল্ডার জিয়াউল হকের সঙ্গে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইব্রাহিম খান সাদাতের বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে শনিবার সকালে হাসপাতালের শেয়ার হোল্ডার জিয়াউল হকের নেতৃত্বে তার কয়েকজন সহযোগী হাসপাতালে গিয়ে ভাঙচুর করে দেখলে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় হামলাকারীরা রোগীদেরকে মারধর করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে হামলাকারীদের আত্মসমর্পণ করতে বলেন। কিন্তু হামলাকারীরা আত্মসমর্পণ না করে হাসপাতালের একটি কক্ষে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে তাদের আটক করে।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইব্রাহিম খান সাদাত জাগো নিউজকে জানান, জিয়াউলক হক হাসপাতালের কোনো শেয়ার হোল্ডার নন। তিনি ভোরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নিয়ে হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন এবং রোগীদের মারধর করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন।
সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, হাসপাতালে হামলাকারীদের মধ্যে ৭ সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
আজিজুল সঞ্চয়/এফএ/এবিএস