পরিবারের প্রেরণায় আজ আমি সফল
একজন সফল নারী কর্মকর্তা লতিফা জান্নাতি। তিনি বর্তমানে পটুয়াখালী ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্মস্থলে না থাকলে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
তিনি একজন স্ত্রী, একজন মা, একজন গৃহিণী, একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি যেমন করে তার সন্তানের কথা ভাবেন, ঠিক তেমনই ভাবেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের কথা। নিজের মেধা, মননশীলতা ও কর্মনিষ্ঠার ফলে পটুয়াখালীর সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি আলোচিত এবং আলোকিত মুখ তিনি।
কিশোর বয়স থেকেই যার স্বপ্ন ছিল সরকারি চাকরি করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন।
পরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
উপজেলা ভূমি অফিস, পটুয়াখালী সদর পটুয়াখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি), এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং সার্টিফিকেট অফিসার পটুয়াখালী সদরের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে এক ছেলের জননী তিনি। তিন বছর বয়সী ছেলে আবরার সাদিক আবদুল্লাহ।
লতিফা জান্নাতির বাবা আবদুল খালেক তিনি একজন সরকারি কর্মজীবী। আর স্বামী মো. আমিরুল ইসলাম তিনিও সরকারি চাকরিজীবী।
নিজের কথা বলতে গিয়ে লতিফা জান্নাতি বলেন, আমার এই সফল্য অর্জনের পেছনে পরিবার, শিক্ষক-শিক্ষিকার অবদান রয়েছে। পরিবারের সহযোগিতা ও প্রেরণা পেয়ে আজ আমি সফল। বর্তমানে আমি বা আমার মতো নারী কর্মজীবীদের দেখে উৎসাহ পাই।
শিক্ষাক্ষেত্রে নারীবান্ধব পরিবেশ, সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে আমি এই সাফল্য অর্জন করেছি। নারী হিসেবে কর্মক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা আছে বলে আমি মনে করি না। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে সুন্দর পরিবেশ রয়েছে।
এছাড়া অবসর সময় আমার পরিবার, সন্তানকে সময় দেই, বই পড়ি, গান শুনি। একজন নারী হিসেবে সফলতা হলো নারীকে যে কয়টি রুপে আমরা দেখি, যেমন কন্যা, বোন, স্ত্রী ও মা ইত্যাদি সকল অবস্থান থেকেই সকলের জন্য প্রিয়তা অর্জন করা। আর কর্মক্ষেত্রে সৎ, সহজভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করা।
মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এএম/জেআইএম