সাতক্ষীরায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট মানুষ


প্রকাশিত: ০৬:১২ এএম, ১৯ মে ২০১৭
ফাইল ছবি

সাতক্ষীরায় ভয়াবহ লোড সেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। দিনের মধ্যে শতাধিক বার বিদ্যুৎ যায় আর আসে। আবার কখনো গেলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আর ফিরছেই না। গত প্রায় ২৫ দিন ধরে চলছে এমন পরিস্থিতি। শুধু জেলা সদর নয় এমন পরিস্থিতি উপজেলাগুলোতেও।

বিদ্যুৎ বিভাগের এমন খামখেয়ালিপনায় বিপাকে পড়ছেন বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তারাও। স্বাভাবিক জীবন ধারায় বাধাগ্রস্ত হতে হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে। ইতোমধ্যে কতিপয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবি জানিয়ে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, সাতক্ষীরার সর্বসাধারণের অভিযোগের আঙ্গুল বিদ্যুৎ বিভাগের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের দিকে। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মুনছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, আমার পরীক্ষা চলছে। স্বাভাবিকভাবে পড়ার কোনো উপায় নেই। দিনে তো বিদ্যুৎ থাকেই না আবার রাতেও থাকে না।

তিনি আরো বলেন, কোন অফিসের কম্পিউটারও অন করতে পারছে না। এক মিনিট দুই মিনিট পর পর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে আবার আসছে। কম্পিউটারগুলোও নষ্ট হওয়ার উপক্রম। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দারুনভাবে বাধাগ্রস্ত।

এমন অভিযোগ শুধু মুনছুর রহমানের নয় সাতক্ষীরার অধিকাংশ মানুষের। বাসার রেফ্রিজারেটরহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে গেছে অনেকের।

তবে বিদ্যুৎ বিভাগের এমন পরিস্থিতির বিষয়ে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাশ জাগো নিউজকে বলেন, একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে কালবৈশাখী। প্রতিদিন কোথাও না কোথায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সারাদিন মেরামত করছি আবার নষ্ট হচ্ছে।

তাছাড়া বিদ্যুৎতের যে পরিমাণ চাহিদা আমরা সেটি ঠিকমত পাচ্ছি না। যার ফলেও কিছুটা লোডশেডিং বেড়েছে। তবে আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত এমন অবস্থা বিরাজমান থাকবে। তারপর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে আশা করি।

ভিআইপি এরিয়ার মানুষরা কিছুটা বিদ্যুৎ পেলেও গ্রামের মানুষ একেবারেই পাচ্ছেন না। এভাবে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন ৮টি উপজেলা চলছে। এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, যখন বিদ্যুৎ বিভাগের একটু সঙ্কট যাচ্ছে ঠিক সে মুহূর্তে একটি শ্রেণি সাধারণ মানুষকে উসকে দিচ্ছে।

আকরামুল ইসলাম/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।