বাউফলের চন্দ্রদ্বীপে অপর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র, আতঙ্কিত এলাকাবাসী


প্রকাশিত: ০৬:৫৮ পিএম, ২৯ মে ২০১৭

পটুয়াখালীর বাউফলের বিচ্ছিন্ন চর ১৫নং চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বাস। এই ১৫ হাজার মানুষদের জন্য মাত্র ৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। যার ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ আড়াই থেকে তিন হাজার।

এছাড়া বেড়িবাঁধ না থাকায় স্বাভাবিক জোয়ারে এ চরটি প্লাবিত হয়। ফলে এ চরের মানুষদের গবাদি পশু, হাঁস, মুরগিসহ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করতে হয়।

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে এ চরের মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ চরে দুর্যোগ আগাত হানলে দুর্যোগের কাছে নিজেদের সোপে দেয়া ছাড়া এ চরের মানুষের আর কিছুই করার থাকবে না।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলকাস মোল্লা জানান, ইতোমধ্যে লোকজনকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে যেতে শুরু করেছেন। এছাড়াও দূরবর্তী মানুষদের নিচুস্থান থেকে উচুস্থানে অবস্থান নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, ইউনিয়নে পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নেই। তবে চন্দ্রদ্বীপ থেকে মানুষকে উদ্ধারের জন্য ১০টি ট্রলার রাখা হয়েছে।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।