চৌহালীর বাঁধে এক মাসে ৭ বার ধস
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদী তীর সংরক্ষণে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সেই বাঁধে আবারও ধস দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত তিন মাসের ব্যবধানে বাঁধটির বিভিন্ন পয়েন্টে মোট ১২ বারের মতো ধস ও ভাঙন দেখা দিল। চলতি জুলাই মাসেই সপ্তম বারের মতো এ বাঁধটি ধসে গেল।
সোমবার দুপুরে দিকে উপজেলার খাস কাউলিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে বাঁধটির অন্তত ৩০ মিটার এলাকা ধসে যায়।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ২০১৫ সালে যমুনা নদীর ভাঙন থেকে টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু হয়।
ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের প্রায় ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ১১ দফায় এ প্রকল্পের বিভিন্ন পয়েন্টে ধস দেখা দেয়। সোমবার দুপুর থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ১২ বারের মতো ধস শুরু হয়।

ধীরে ধীরে বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা ধসে যায়। এর আগে গত ২ ও ১৬ মে, ৮ ও ২৩ জুন ৩, ৭, ১৯, ২০, ২১, ২৩ ও সর্বশেষ ২৬ জুলাই এ প্রকল্পটির বিভিন্ন অংশ ধসে যায়।
কাজের তদারকিতে থাকা টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বাঁধধসের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধসে যাওয়া স্থানে বালুভর্তি জিওব্যাগ ডাম্পিং শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধস বন্ধ হয়ে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। তবে বার বার ধসে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিব্রত বলে তিনি জানান।
ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/পিআর