চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, চার্জশিট দাখিল

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৭

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ঢাকার আইডিয়াল ‘ল কলেজের ছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রুপাকে গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। রোববার টাঙ্গাইলের বিচারিক হাকিম আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করা হয়। এতে গ্রেফতার হওয়ার বাসের পাঁচজনের বিরুদ্ধে রুপাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

এ নিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, ময়নাতদন্তের সময় সংরক্ষিত রুপার দাঁত ও পরিধেয় বস্ত্র আদালতের অনুমতি নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। শনিবার সে প্রতিবেদন আসে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মাহবুব আলম পিপিএম রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পরিবহনের পাঁচজন মিলে কলেজছাত্রী রুপাকে ধর্ষণের পর হত্যা করার বিষয়টি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ডিএনএ প্রতিবেদনে পজিটিভ কিছু আসেনি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রুপাকে চলন্ত বাসে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্ষণ করে এবং বাসেই তাকে হত্যার পর মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে তার মৃতদেহ ফেলে রেখে যায়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় নারী হিসেবে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে তার ভাই হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় গিয়ে ছবির ভিত্তিতে তাকে শনাক্ত করেন।

গত ২৮ আগস্ট এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ময়মনসিংহ-বগুড়া রুটের ছোঁয়া পরিবহনের হেলপার শামীম (২৬), আকরাম (৩৫), জাহাঙ্গীর (১৯),চালক হাবিবুর (৪৫) ও সুপারভাইজার সফর আলীকে (৫৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা প্রত্যেকেই আদালতে হাজির করা হয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার আসামিরা প্রত্যেকেই এখন টাঙ্গাইল জেলহাজতে আছে।

আরিফ উর রহমান টগর/এমএএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।