সালাউদ্দিনের স্ত্রী বললেন জয় নিশ্চিত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমেদ বলেছেন, বিএনপি সংঘাতের রাজনীতি করে না। আমি আগেও সংঘাত সমর্থন করিনি এখনও নয়।

আমার নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কামনা করছি। মানুষের ভোটের অধিকার অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপির জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না, আমার জয় নিশ্চিত, জয়ী হয়ে গণতন্ত্র উদ্ধারে ভূমিকা রাখতে চাই।

মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের হাতে মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। হাসিনা আহমেদ কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসন থেকে ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন পেয়ে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

হাসিনা আহমেদ বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। মানুষের ভোটের অধিকার অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। মানবতা হুমকির মুখে। সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই। যেখানে সেখানে গুম হচ্ছে মানুষ। কিছু জায়গায় বিএনপির প্রার্থীকে নিরবে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়া হচ্ছে। দেশের জনগণকে মুক্ত করতে আমি বিএনপির প্রার্থী হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী সালাউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের শিকার। ভারতে শিলংয়ের আইনি লড়াই শেষ করলেও তিনি আজও দেশে আসতে পারছেন না। সবকিছু বিবেচনা করে আমি নির্বাচনে লড়ছি। আমি আশা রাখি তিনি শিগগিরই দেশে ফিরতে পারবেন। তিনি না থাকলেও চকরিয়া-পেকুয়ার ভোটাররা আমাকে আগের মতোই ভোট বিপ্লবে জয় উপহার দেবেন।

হাসিনা আহমেদ মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না ও সালাউদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত সহকারী সফওয়ানুল করিম, নুরুল ইসলাম হেলালী, জেলা যুবদল সভাপতি ছৈয়দ আহমদ উজ্জল, চকরিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র হায়দার, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান নয়নসহ চকরিয়া-পেকুয়ার নানা স্তরের নেতাকর্মীরা।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।