২১ ফেব্রুয়ারি ছাড়া শহীদ মিনার পরিষ্কার হয় না

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৪:২০ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বাংলাদেশে ভাষা আন্দোলন জাতীয় চরিত্রের একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন। ভাষার জন্য পৃথিবীতে কেউ শহীদ হয়েছেন এমন নজির নেই। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য আন্দোলন করে শহীদ হয়েছেন রফিক, সালাম, বরকত ও জব্বারসহ বাংলার আরও অনেক নাম না-জানা দামাল ছেলে।

ভাষার জন্য প্রাণ দেয়া শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারিভাবে নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনার। এরই অংশ হিসেবে বহু বছর আগে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়।

প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি এলে উপজেলাসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফরের কর্মকর্তারা এই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। দিবসটি চলে গেলে শহীদ মিনারটি থাকে অযত্নে-অবহেলায়।

বুধবার উপজেলার ভেতরে নির্মিত শহীদ মিনারে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনারে ময়লা-আবর্জনা ভর্তি। শহীদ মিনারের সামনে-পেছনে গাছের পাতা পড়ে স্তূপ হয়ে গেছে। শহীদ মিনারের রঙ ময়লায় মুছে গেছে। গাছের ডালপালা ভেঙে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে শহীদ মিনারের সামনের-পেছনের অংশ।

voirob-2

অথচ উপজেলার ভেতরেই রয়েছে সব কর্মকর্তাদের কার্যালয়। ভবনের পেছনে শহীদ মিনারটি নির্মিত হওয়ায় কারও নজরে পড়ে না। আটদিন পরই ২১ ফেব্রুয়ারি। দিবসটি উপলক্ষে শহীদ মিনারটি আবারও পরিষ্কার-পরিছন্ন করে সাজানো হবে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহীদ মিনার বছরের সবসময় পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকা প্রয়োজন। বছরের একদিন স্মরণ করলেও সবসময় শহীদ মিনারটি পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীন বলেন, মাত্র কয়েকমাস আগে ভৈরবে যোগদান করেছি আমি। বিষয়টি আমি জানি না এবং দেখিনি। এ জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি আজই শহীদ মিনারটি পরিষ্কার-পরিছন্ন করার ব্যবস্থা করব। শহীদ মিনারটি সবসময় পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

আসাদুজ্জামান ফারুক/এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।