কাঁঠালবাড়ীর চাপও দৌলতদিয়ায়

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ১০:৪৩ এএম, ০৭ আগস্ট ২০২০

পদ্মার তীব্র স্রোত, ঈদের পর কর্মস্থলগামী যাত্রীদের ভিড় ও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের বাড়তি যাত্রী ও যানবাহনের চাপে দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের দীর্ঘ সিরিয়াল তৈরি হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া প্রান্তের ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ও রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দৌলতদিয়া প্রান্তের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রায় ৪ কিলোমিটার ও রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের ৪ কিলোমিটার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ শত শত যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে রয়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন চালক ও যাত্রীরা। সময় যত বাড়ছে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা ঘাট কর্তৃপক্ষের।

Feri

জানা গেছে, পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে প্রায় ১ মাস দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নদী পারাপারে ফেরিগুলোর স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে সময় লাগছে দ্বিগুণ। এছাড়া ঈদ পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটের বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায়। এতে দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।

যানবাহনের যাত্রীরা জানান, এই গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের বাসের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। শীত-বর্ষা সব সময় দৌলতদিয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।

যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই যে নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলতে সমস্যা হচ্ছে, এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। তাহলে কেন এই রুটে নতুন বা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফেরির ব্যবস্থা করে না কর্তৃপক্ষ। আসলে তারা কখনও এভাবে আটকে থাকেন না, তাই ভোগান্তিও বোঝেন না।

Feri-1

ট্রাকচালকরা জানান, যেখানে তারা আটকে আছেন সেখানে কোনো খাবার ও বাথরুম নেই। এর জন্য অনেক দূরে যেতে হয়। কখন ফেরি পাবেন সেটাও জানেন না। দিনের পর দিন তাদের নদী পারের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এতে তাদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং সময় মতো মালামাল পরিবহন করতে না পেরে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ছোট-বড় ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া ঈদ পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটের বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়েছে দৌলতদিয়ায়। যে কারণে যানবাহনের সিরিয়াল তৈরি হয়েছে।

রুবেলুর রহমান/এফএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]