সড়কে বালি ফেলাকে কেন্দ্র করে আ.লীগ-যুবলীগ সংঘর্ষ, আহত ৫

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১০:১৮ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২১

যশোরের মণিরামপুরে নির্মাণাধীন সড়কে বালি ফেলাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার শয়লা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আহতরা হলেন- স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন (৪২), আব্দুল হালিম (৪১), পথচারী লিয়াকত হোসেন ও এলাহি বক্স। আহতদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন ও আব্দুল হালিমকে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাশার ভুট্টো জানান, শয়লা-রসুল বাজারের নির্মাণাধীন সড়কে তারা বালি দেয়ার সাব কন্ট্রাক্টের কাজ পান। সড়কে বালি দেয়ার সময় ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, যুবলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুক্রবার সাব কন্ট্রাক্টের চন্টা, আব্দুল্লাহ, বাপ্পী, মিন্টুকে মারধরসহ এক্সকাভেটর মেশিন ও চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

তিনি আরও জানান, এরই জের ধরে রোববার যুবলীগ নেতা বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে আব্দুস সামাদ, পারভেজ, মোস্তাক মিলে তার ছেলে রেজাউর রহমানকে মারধর করে। এ ঘটনায় তিনি রোববার বিকেলে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমানের দাবি, ভুট্টো, চন্টা মিলে নির্মাণাধীন সড়কে বালির পরিবর্তে মাটি দিলে স্থানীয় জনগণ বাঁধা দেয়। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা তরিকুল ইসলামকে মারধর করা হয়। ঘটনার দিন তিনিসহ যুবলীগের নেতাকর্মীরা শয়লা বাজারে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। এতে যুবলীগ নেতা বিল্লাল হোসেন গুরুতর আহত হন। বর্তমানে বিল্লাল হোসেন কেশবপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে শয়লা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এলাকায় সংঘর্ষ এড়াতে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শাহাজান আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ টহলে রয়েছে।

মিলন রহমান/এসজে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]