বাঁচতে চান যশোর এমএম কলেজের সোমা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১১:৩৯ এএম, ২৫ এপ্রিল ২০২১

যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাস্টার্সের মেধাবী শিক্ষার্থী সোমা রায় (২৬) মরণব্যাধি ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৭-৮ লাখ টাকা। কিন্তু এ টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার।

সোমার বাবা শহরের একটি সুপার শপে সামান্য বেতনে চাকরি করেন। মা সবিতা রায় গৃহিণী। তিনিও অসুস্থ। আর একমাত্র ছোট ভাই এবার এইচএসসি পাশ করেছে।

জানা যায়, যশোর শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন রোড এলাকার বাসিন্দা অশোক রায় ও সবিতা রায়ের একমাত্র মেয়ে সোমা। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত হোম টিউটর, দক্ষ কম্পিউটার প্রশিক্ষক ও গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়ারের একজন সার্ভিস হোল্ডার হিসেবে সংসারের হাল ধরেছিলেন। সোমার ইচ্ছা ছিল একজন আদর্শবাদী শিক্ষক হয়ে সমাজকে বদলে দেয়ার। কিন্তু সে স্বপ্নভঙ্গের উপক্রম হয়েছে এখন।

যশোর ও খুলনায় চিকিৎসা শেষ করে বর্তমানে বাড়িতেই ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, দ্রুত অস্ত্রোপচার করালে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাকে ভারতে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সাত-আট লাখ টাকা।

অশোক রায় বলেন, নিজেরা নিরক্ষর হলেও দুই সন্তানকে শিক্ষিত করেছি। তাদেরকে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল। সোমা পড়াশুনায় মেধাবী। সে সংসারের হাল ধরেছিল।

হঠাৎ তার অসুস্থতাইয় সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায়ই মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছে সোমা। গত মাসে হঠাৎ করেই আরো বেশি অসুস্থ হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে ব্রেন টিউমার হয়েছে তার। দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এতে কমপক্ষে সাত-আট লাখ টাকা লাগবে। কিন্তু এতো টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব না আমার পক্ষে। সোমাকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করছি।

যোগাযোগের ঠিকানা: সোমার বাবা অশোক রায়- ০১৯২৬৯৪৫৪৭৫।
ডাচ বাংলা ব্যাংক-নিজস্ব একাউন্ট- সোমা রায় ১৬৩১৫১০১৯৫৯৮৪।
বিকাশ/নগদ নাম্বার-০১৯৪১৩৪৬৩৪৪।
ব্যাংক-ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড হিসাব নাম্বার ১৬৩১৫১০১৯৫৯৮৪ (ব্র্যাঞ্চ-যশোর- কোড ১৬৩)

মিলন রহমান/এসএমএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।