ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৮:৩৯ পিএম, ০৭ জুলাই ২০২২

ঈদের বাকি আর মাত্র দুদিন। এই ঈদ কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে যে যেভাবে পারছেন তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

এদিকে, যানবাহনের তুলনায় যাত্রীদের চাপ বেশি থাকায় ঠিকমতো মিলছে না বাসের টিকিট। সেজন্য মহাসড়কে অনেক যাত্রীকেই যানবাহনের জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে সরেজমিন এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়

বেশ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের আগে বৃহস্পতিবার বেশিরভাগ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ছুটি হওয়ায় বিকেল থেকেই মানুষ গ্রামের দিকে ছুটছেন। আর ঘরমুখো যাত্রীদের প্রচুর চাপ থাকায় নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পরিবহন মালিকদের বিরুদ্ধে।

যাত্রীদের অভিযোগ, চিটাগাংরোড থেকে সিলেটের বাস বাড়া নন-এসিতে ৫৭০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। শিমরাইল মোড় থেকে কুমিল্লার ভাড়া ২৫০ টাকার পরিবর্তে ৪০০ টাকা, চট্টগ্রামের ভাড়া ৫৫০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। শিমরাইল মোড় থেকে কক্সবাজারের ভাড়া ১ হাজার ১০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করছে পরিবহনগুলো। এছাড়া মাইক্রোবাসে কুমিল্লার ভাড়া ৮০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, বেশি ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন অধিকাংশ পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। তবে কিছু বাসের হেলপাররা বেশি ভাড়া নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও তারা ঈদের অজুহাত দেখাচ্ছেন। তারা বলেন, বছরে এই কয়েকটা দিনই আমরা একটু বেশি ভাড়া নিই।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়

রাইহান হাসান নামে এক শিক্ষক বলেন, ছুটি পেয়েই গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। গত দুবছর করোনার জন্য কোরবানি ঈদে বাড়ি যেতে পারিনি। এবার পরিস্থিতি ভালো থাকায় যাচ্ছি।

রাবেয়া ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, অনেক কষ্টে টিকিট পেয়েছি। কিন্তু এখনো বাস আসেনি। তাই বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হচ্ছে তবুও বাড়ি যাবো ভেবে আনন্দও লাগছে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীর হোসেন বলেন, বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আজ যাত্রীদের চাপ বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামীকালও এমন চাপ থাকতে পারে। তবে যাত্রীদের চাপ যতই থাকুক না কেন মহাসড়কে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া প্রতিটি পয়েন্টে আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যাত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে গন্তব্যস্থলে যেতে পারেন সেজন্য আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।

রাশেদুল ইসলাম রাজু/এমআরআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।