জীবনের করুণ কাহিনি ‘মাগো আমি বিদেশ যাবো’

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২২ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯

জীবীকার তাগিদে মানুষ দেশান্তরী হয়। পেছনে পড়ে থাকে প্রিয়জনের ভালোবাসা। বুকের ভেতর কষ্ট চাপা দিয়ে ভাগ্য বদলাবে বলে চলতে থাকে অক্লান্ত পরিশ্রম। সেইসব মানুষেরা পরিবারের দিন ফেরান; অবদান রাখেন সমাজ ও দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে।

বিদেশে সবার আড়ালে কেমন কাটে সেইসব প্রবাসীদের জীবন, সেই গল্প ক’জনে জানতে পারে! প্রায় সময়ই খবরের শিরোনামে আসে অনেক দুর্ভাগ্যবান প্রবাসীদের নাম। যারা অসাধু ব্যক্তিদের খপ্পরে পড়ে বিদেশে গিয়ে অমানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকে পড়ে যান মৃত্যুর হুমকিতে, কেউ কেউ লাশ হয়েও ফেরেন।

প্রবাসীদের গল্পগুলো তাই করুণ হয়ে ওঠে, হয় মর্মস্পর্শী। তেমনই এক গল্পে নির্মিত হয়েছেন খণ্ড নাটক ‘মাগো আমি বিদেশ যাবো’।

মো. সাইফুর রহমান কাজলের রচনা এবং সাখাওয়াৎ মানিকের পরিচালনায় নাটকটি চিত্রায়িত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে। এখানে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শামীম সরকার, মুনীরা মিঠু, পায়েলিয়া পায়েল, আজম খান প্রমুখ।

নাটক প্রসঙ্গে পরিচালক মানিক জানান, গল্পটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী। আবির নামে এক যুবক চরিত্রকে কেন্দ্র করে এটি তৈরি করা হয়েছে। যে যুবক অত্যন্ত মেধাবী ও সুশিক্ষিত হওয়ার পরেও বেকার জীবনযাপন করছিলেন। তার মা এবং বোনকে নিয়ে সুখী একটা পরিবার ছিল তার।

জীবনে এসেছিল তরী নামে একটা মেয়ের ভালোবাসা। কিন্তু সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। একটা পর্যায়ে দেখা যাবে তার মামা তার জন্য বিদেশ থেকে একটা ভিসা নিয়ে আসে। তখন তার হাতে মাত্র ১৫ দিন সময় ছিল। আবির মনে-প্রাণে দেশ ছেড়ে বিদেশ যেতে রাজি ছিল না। কিন্তু একটা পর্যায়ে তার পরিবারের কথা চিন্তা করে সে দেশ ছেড়ে বিদেশ যেতে বাধ্য হয়।

সাধারণত আমরা দেখি একটি ছেলে বিদেশ যাচ্ছে বা প্রবাসী হচ্ছে। কিন্তু কতখানি মায়া ত্যাগ করে সে দেশ ছেড়ে বিদেশ পাড়ি জমায় এবং তাতে তার কতখানি আবেগ মিশ্রিত থাকে সেটার উপরে আলোকপাত করেই নাটকের কাহিনি এগিয়ে যাবে এবং একটা করুণ পরিণতি দিয়ে নাটকটি শেষ হবে।

এলএ/জেআইএম

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com