কম মসলায় চিংড়ি-লাউ শাকের ঝোল
শুরু হয়ে গেছে গরমের দিন। গরমের দিনে হালকা, পুষ্টিকর আর সহজপাচ্য খাবারের খোঁজে থাকেন অনেকেই। সেই তালিকায় যোগ হতে পারে চিংড়ি দিয়ে লাউ শাকের ঝোল। গ্রামবাংলার ঘরোয়া রান্নার এই পদটি যেমন স্বাদে অনন্য, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। লাউ শাকের নরম পাতা আর চিংড়ির স্বাদ মিলে একসঙ্গে মিলে তৈরি করবে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। অল্প মসলায়, খুব সহজ উপায়ে তৈরি করা যায় এই ঝোল, যা ভাতের সঙ্গে খেতে ভালো লাগে।
আসুন জেনে নেওয়া যাক চিংড়ি দিয়ে লাউ শাকের ঝোল কীভাবে রান্না করবেন-

উপকরণ
- লাউ শাক ৪ কাপ
- মাঝারি আকারের চিংড়ি ২ কাপ
- আলু ১ কাপ
- পেঁয়াজ কুচি ১টি
- রসুন কুচি ১ চা চামচ
- কাঁচা মরিচ ৪-৫টি
- হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ
- লাল মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
- লবণ স্বাদমতো
- তেল ২ টেবিল চামচ
- পানি প্রয়োজনমতো
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে লাউ শাক ভালোভাবে ধুয়ে কেটে নিন। চিংড়ি মাছ পরিষ্কার করে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ৫-১০ মিনিট রেখে দিন। এতে চিংড়ির কাঁচা গন্ধ দূর হবে এবং স্বাদও বাড়বে।
একটি কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে চিংড়িগুলো হালকা ভেজে তুলে রাখুন। বেশি ভাজবেন না, তাহলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যেতে পারে। একই তেলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নিন, যাতে কাঁচা গন্ধ চলে যায়।
এবার হলুদ গুঁড়া, লাল মরিচ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে মসলা কষিয়ে নিন। অল্প পানি দিয়ে মসলাটি ভালোভাবে ফুটতে দিন। মসলা থেকে তেল আলাদা হয়ে এলে তাতে লাউ শাক ও আলু দিন দিয়ে দিন। শাক থেকে পানি বের হবে, তাই শুরুতে বেশি পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
শাক ও আলু নরম হয়ে এলে ভেজে রাখা চিংড়ি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। প্রয়োজনমতো সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে ৫-৭ মিনিট রান্না করুন। ঝোলটা পাতলা ও হালকা রাখাই ভালো, এতে স্বাদ বেশি লাগে। রান্না শেষ হলে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
যে কারণে খাবেন
এই রান্নাটি শুধু সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যকরও। লাউ শাক শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং হজমেও উপকারী। অন্যদিকে চিংড়ি প্রোটিনের ভালো উৎস, যা শরীরকে শক্তি জোগায়।
- আরও পড়ুন:
পুরান ঢাকার টাকি মাছের পুরি বাড়িতে বানান সহজে
মচমচে স্বাদের লোভনীয় পদ, ঘরেই বানান রূপচাঁদা ফ্রাই
এসএকেওয়াই
