আবরারের জানাজা সম্পন্ন, দাফন হবে বনানী কবরস্থানে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৩১ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৯

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় নিহত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ছাত্র আবরার আহমেদের মরদেহ বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এর আগে বেলা দেড়টার দিকে মিরপুর সেনানিবাসের মধ্যে বিইউপি এডিবি গ্রেড গ্রাউন্ড মাঠে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫, এডিবি গ্রেড মসজিদের ইমাম মাওলানা তাজুল ইসলাম এতে ইমামতি করেন।

এ সময় আবরার আহমেদের বাবা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবিদ আহমেদ চৌধুরী, বিইউপির ভিসি মেজর জেনারেল মো. এমদাদ-উল বারী, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, আবরার আহমেদের সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আত্মীয়-স্বজন জানাজায় অংশ নেন।

পরে দাফনের জন্য আবরারের মরদেহ বনানী কবরস্থানের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা গেট এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় মারা যান আবরার আহমেদ চৌধুরী। আবরার মালিবাগে নিজস্ব বাসায় থাকতেন।

এদিকে আবরার নিহতের ঘটনায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক গেট এলাকায় রাস্তা অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অবরোধে বিমানবন্দর থেকে বাড্ডা হয়ে রামপুরা-গুলিস্তান রুটের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পরিস্থিতি সামাল দিকে ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে ঘটনাস্থলে একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সেই আশ্বাস উপেক্ষা করে এখনও সেখানে অবস্থান করছেন।

সু-প্রভাত বাসের চাপায় নিহত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ছাত্র আবরার ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে চলা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

বেলা ১১টার দিকে প্রগতি সরণির রোডের নর্দ্দাতে দুর্ঘটনা স্থলে মেয়র আসলে বিইউপি'র অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী লিখিতভাবে ১২ দফা দাবি পেশ করেন। মেয়র ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান শিক্ষার্থীদের। ১২ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-

১. ১০ দিনের মধ্যে সুপ্রভাত বাসের চালক হেলপার ও মালিকের ফাঁসি।

২. সুপ্রভাত ও জাবালে নূরসহ যেসব বাস আজ এবং এর আগে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে সেসব বাসের রুট পারমিট বাতিল।

৩. বাস চালক ও হেলপারের ডোপ টেস্ট করতে হবে।

৪. বাসসহ গণপরিবহনের চালক হেলপারের আইডি কার্ড ভিজিবল করা।

৫. বসুন্ধরা আবাসিক/ যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে জেব্রা ক্রসিংসহ নিহত আবরারের ফুটওভার ব্রিজ করতে হবে দুই মাসের মধ্যে।

এমএইচএম/এমএআর/আরআইপি

টাইমলাইন  

আপনার মতামত লিখুন :