আদিল মুহাম্মদ খান

‘আগে পরিবেশ, পরে উন্নয়ন’ মডেলে বাসযোগ্য হবে নগর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫০ পিএম, ০৫ জুন ২০২৩

সাম্প্রতিক সময়ে ‘আগে উন্নয়ন, পরে পরিবেশ’ এমন কথা বলা হচ্ছে। এ ধরনের একটি সংলাপ আমরা বেশ কিছুদিন ধরে শুনছি। আসলে এটি ধ্বংসাত্মক একটি প্রতিপাদ্য। উন্নয়ন কখনোই পরিবেশকে বাদ দিয়ে হবে না। যে উন্নয়নে পরিবেশ বিপর্যয় হয়, সে উন্নয়ন মডেলে আমরা যাবো না। ‘আগে পরিবেশ, তারপর উন্নয়ন’- এ মডেল বাস্তবায়ন করা গেলে যে কোনো নগর বাসযোগ্য হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক এবং ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. আদিল মুহাম্মদ খান এমন অভিমত দিয়েছেন।

এ বছর ‘প্লাস্টিক দূষণ সমাধানে শামিল হই সকলে’ প্রতিপাদ্যে ও ‘সবাই মিলে করি পণ, বন্ধ হবে প্লাস্টিক দূষণ’ স্লোগানে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সোমবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গত শনিবার (৩ জুন) জাগো নিউজ ‘পরিবেশ সচেতনতা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করে। সেখানেই কথা বলেন আদিল মুহাম্মদ খান।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে কঠোর হচ্ছে বনবিভাগ

তিনি বলেন, আমরা যখন বলি পরিবেশ দূষণ; তখন সেখানে বায়ু, পানি, শব্দ, শিল্প, মাটি, বর্জ্য অব্যবস্থাপনাসহ অনেক দূষণের কথা চলে আসে। এখন বাংলাদেশে প্রতিটি দূষণের ক্ষেত্র অত্যন্ত জটিলতার দিকে যাচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে, পরিবেশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। যেমন, এখন থেকে পাঁচ বছর আগে ঢাকার বায়ুদূষণ যে মাত্রায় ছিল, এখন তা ক্রমেই আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এমন অনেক দূষণ আছে যা খালি চোখ দেখা যায় না। যেমন নদীর পানি অনেক স্বচ্ছ দেখা গেলেও সেখানে অনেক দূষিত উপাদান আছে। এ দূষণগুলো কেন হচ্ছে, সেদিকে যদি নজর দেই তাহলে দেখা যাবে এর মূলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন কার্মকাণ্ড। আমরা উন্নয়নের জন্য অনেক ত্যাগ মেনে নেই। যেমন, উন্নয়ন হলে কিছু ক্ষতি হবেই। তবে সেটার একটা মাত্রা আছে। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। এদেশে কোনো উন্নয়ন করতে গেলে তার অভিঘাত জনগণের ওপরই বেশি পড়ে।

round

আইপিডির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, জনঘনত্বের বাংলাদেশে বায়ুদূষণে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এরপর পানিদূষণে পানিবাহিত রোগে মানুষ অসুস্থ হচ্ছেন। একইভাবে শব্দদূষণে আমরা শারীরিক ও মানসিক রোগে আক্রান্ত হই। তাই উন্নয়ন করতে গেলে পরিবেশ দূষণ করতে হবে, এমন মনস্তাত্ত্বিক বাধা দূর করতে হবে। আমার মনে হয় এ জায়গায় সবার আসা উচিৎ। উন্নয়ন কখনোই পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে না। তাই আমরা টেকসই উন্নয়নই গ্রহণ করবো। এখন টেকসই উন্নয়নে গিয়েও বিশ্বের উন্নত দেশের মতো আমরা পরিবেশের মান উন্নয়ন করতে পারছি না। আমাদের উন্নয়নের কৌশলগত ধারণাতেই ত্রুটি রয়েছে।

দেশে উন্নয়নের মডেলটা কেন প্রাণঘাতি এর একটা উদাহরণ দেন আদিল মুহাম্মদ খান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর পানির মান উন্নয়নে ৫০ থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। কিন্তু যারা এতদিন নদীর পাড়ে অপরিকল্পিত শিল্পকারখানা করে নদীর পানি দূষণ করেছেন, তারা কি এ খাতে বিনিয়োগ করবেন? এ পুরো টাকাটা বিনিয়োগ করবে রাষ্ট্র। অথচ গত কয়েক দশকে এ দূষণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের জীবন-জীবিকা ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়েছে। লাভবান হয়েছেন শিল্পকারখানার মালিকেরা। এখন আবার এত বড় বিনিয়োগ রাষ্ট্রকে করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের যেন ক্ষতি না হয়: প্রধানমন্ত্রী

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের অর্থ জোগানে টান লেগেছে জানিয়ে তিনি বলেন, চাইলেও এত বড় বিনিয়োগ সরকার করতে পারছে না। তাহলে আমাদের উন্নয়নের মডেলেই সমস্যা ছিল। আমাদের শিল্পকারখানার দূষিত পানি আগে কেন নদীতে ফেলা বন্ধ করা হয়নি। তাহলে তো এত টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা দরকার ছিল না। এক্ষেত্রে সরকার সঠিক নজরদাবি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আবার শিল্প মালিকেরা উৎপাদনে প্রাধান্য দিয়েছেন। উন্নত বিশ্বে শিল্প উৎপাদনে প্রাধান্য দিলেও পরিবেশকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা সেসব দেশকে ফলো করিনি।

বাংলাদেশে পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই ঘাটতি রয়েছে জানিয়ে আদিল মুহাম্মদ বলেন, শিল্পকারখানা করার জন্য দেশে বহু আগে থেকে পৃথক জোন রয়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি এর বাইরে বহু কারখানা করা হয়েছে। আমরা গবেষণা করে দেখেছি, ঢাকা শহরে ৮০ শতাংশ শিল্পকারখানা অপরিকল্পিতভাবে স্থাপন করা হয়েছে। অর্থাৎ যেখানে কারখানা করার কথা, সেখানে তা করা হয়নি। যে যার মতো সুবিধাজনক জায়গায় শিল্পায়ন করেছেন। অথচ সেটা করার কথা ছিল জোনকেন্দ্রিক। এক্ষেত্রে সরকারও চোখ বন্ধ করে রেখেছিল। আবার অনেক ক্ষেত্রে শিল্প মালিকরাও সরকারকে মেনেজ করে ফেলেছেন। তাই এখন অমাদের মডেল হতে হবে ‘আগে পরিবেশ, তারপর উন্নয়ন’। এ মডেলটি যদি বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে যে কোনো নগর বাসযোগ্য হবে। সে মডেলে আমাদের যেতে হবে। সরকারকে সে উদ্যাগ নিতে হবে।

ইটভাটা ঢাকা তথা সারাদেশে বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ উল্লেখ করে এ নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, এতদিন পর এসে সরকার বলছে, ২০২৫ সালের মধ্যে পোড়া ইটের ব্যবহার বন্ধ করা হবে। ২০২৫ সাল তো প্রায় চলে আসছে। কিন্তু সে উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমরা তেমন কোনো অগ্রগতি দেখছি না। সরকারের প্রস্তুতি খুবই দুর্বল। এভাবে এগোলে ২০৩০ সালেও পোড়া ইট ব্যবহার বন্ধ করতে পারবে না। একইভাবে জলাশয় বা জলাধার ভরাট করা হচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কাটা যেন একটা সংস্কৃতি হয়ে গেছে। ঢাকার অনেক পার্কেটের ডিজাইনে গাছ কাটা হচ্ছে। বলা হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্প। অথচ পার্কে তো গাছই থাকার কথা। এভাবে আমরা উল্টো পথে আছি। এছাড়া সম্প্রতি সরকার একটি ঘোষণা দিয়েছে, সরকারি অফিসগুলোতে যেন ওয়ানটাইম প্লাস্টিক ব্যবহার না করা হয়। এটা একটা ইতিবাচক পদক্ষেপ। আমাদের আসলে কিছু ত্যাগ করতে হবে। ব্যক্তি থেকে কমিউনিটি পর্যায়কে ভালো রাখতে এ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পরিবেশের বিষয়ে যেন আমরা কোনো ছাড় না দেই। তাহলে একটা পর্যায়ে গিয়ে বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয় যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেটা কমিয়ে আনা যাবে। যে মানদণ্ড আমাদের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন: বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার প্রত্যয়

সবুজায়নে রাজশাহী শহরকে অনেকেই অনুকরণযোগ্য বলেন জানিয়েছে আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, পরিবেশের অনেক ক্ষেত্রে আমরা রাজশাহী শহরকে উদাহরণ দেই। সবুজায়নের মাধ্যমে রাজশাহী শহরে বায়ুমানের উন্নতি হয়েছে। সেটা সিগনিফিকেন্ট। রাজশাহী তাদের পলিসিতে যেটা করেছে, তারা পরিকল্পনা মাফিক পুরো শহরের কোথাও ফাঁকা জায়গা রাখেনি। যেখানে মাটি আছে সেখানে তারা গাছ লাগিয়েছে। সড়ক বিভাজকগুলো চওড়া করে সেখানেও বড়, মাঝারি, ছোট আকারের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি, ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডে গাছ রক্ষা আন্দোলনের কর্মসূচি। সে আন্দোনের মূল ফোকাস ছিল সড়কের গাছ কাটা বন্ধ করা। আমরা দেখেছি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ওই সড়ক বিভাজকে বড় বড় গাছ কেটে ফেলেছে। এখন সেখানে ফুল গাছ লাগিয়েছে। কিন্তু দেখেন রাজশাহী কী করেছে। তারা কিন্তু সড়ক বিভাজকে বড় গাছ থেকে শুরু করে ছোট গাছও লাগিয়েছে।

ঢাকার পুরান সড়ক বিভাজকগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে জানিয়ে আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, আগের সড়ক বিভাজকগুলো ভেঙে একদম খুব ছোট্ট করা হচ্ছে। সেখানে খারা একটি কংক্রিটের স্লাব দেওয়া হচ্ছে। যেখানে একটা গাছ লাগানোর সুযোগও নেই। তবে সম্প্রতি আমরা দেখেছি, অবকাঠামো উন্নয়নের সময় মিরপুরে টেকনিক্যাল মোড়ে ফুটপাতের কিছু গাছ কেটে ফেলেছে ডিএনসিসির এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এর দায়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ বাতিল করে কালো তালিকাভুক্ত এবং এই কাজ সঠিকভাবে তদারকি না করায় সংশ্লিষ্ট দুই প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, যারা গাছ কাটে তাদের শাস্তির আওতায় নেওয়া হবে। এগুলো কিন্তু খুব সিগনিফিকেন্ট উদাহরণ। এই একটা উদাহরণের কারণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো ঠিকাদার কাজ কাটতে গেলে অন্তত ১০ বার ভাববে।

round

আরও পড়ুন: পাঁচ দশকে হারিয়ে গেছে অর্ধেকের বেশি নদী

নগরে পরিবেশ রক্ষায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সরকারের অন্যতম কাজ জানিয়ে ওই নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, দেশে পরিবেশ রক্ষায় বহু আগে থেকেই আইন আছে। কিন্তু তার কঠোর প্রয়োগ নেই। নগরে জনসচেতনতায় পানিসমেন্ট নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকার পরিবেশ রক্ষা করে। যেটি সিঙ্গাপুরসহ বহু উন্নত রাষ্ট্র করে দেখিয়েছে। যারা পরিবেশ বিপর্যয় করবে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাহলে একজনকে ধরতে পারলে আরও ১০০ জন সচেতন হয়ে যাবে।

আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, একটি আদর্শ নগরায়নে বেশকিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। একটা নগরের ২৫ ভাগ সবুজায়ন থাকাই লাগবে। ১০ থেকে ১৫ ভাগ জলাশয় বা জলাধার থাকতে হবে। আর বাকি ৪০ ভাগ হয়তো কংক্রিট থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের নগরায়ণ যদি আমরা বিশ্লেষণ করি, দেখা যাবে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বহুতল ভবন। কিন্তু আগুন লাগলে তা নেভাতে পানি পাওয়া যায় না। অথচ আমাদের পরিকল্পনায় এ সবুজটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। গ্রাউন্ড ওয়াটার নিয়ে কোনো গবেষণাও নেই। পানির স্তর দিন দিন ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছে। সেটা পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়াবহ কারণ হচ্ছে। এভাবে আমরা যে উন্নয়নের কাথা বলছি, সেখানে উন্নয়নের পরিবেশের কোনো ব্যাকরণ নেই।

তিনি বলেন, নগরে যে পরিমাণ কনস্ট্রাকশন হচ্ছে, সেখানে কোনো ধরনের ব্যবস্থাপনা নেই। কোনো ধরনের কাভার নেই। সড়ক খনন নীতিমালায় বিস্তারিত সব তথ্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা কেউ মানছে না। আমাদের নতুন আইন লাগবে না। বিদ্যমান আইন দিয়েই সবাইকে লাইনে আনা সম্ভব।

আরও পড়ুন: সবুজ শহর রাজশাহী, সুফল পাচ্ছে নগরবাসী

আইপিডির নির্বাহী পরিচালক জানান, আমাদের দেশের শিল্প মালিকদের অনেকে জাতীয় সংসদের সদস্য। ওই শিল্প মালিকেরাই সংসদে আইন তৈরি করছেন। আবার তারাই দেশের পরিবেশ বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছেন। এজন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোনো নজরদারি নেই। এজন্য দেখি যারা এমপি, তাদের অনেকেই নদীর জায়গা দখল করছেন। নদীর পাড়ে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা করছেন। এমন পলিটিক্যাল ইকোনমি আমাদের দেশটাকে একটা নিচের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আমরা যে পরিকল্পনাই নিচ্ছি, সে পরিকল্পনা মানার বিষয়ে কোনো আগ্রহ নেই। কোথাও কেউ আটকালে আমরা মেনেজ করে ফেলি।

তিনি বলেন, দেশে ভোটের দাম কমে যাওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিও কমে গেছে। কেউ জবাবদিহি করে না। তারা জানে কাউকে জবাবদিহি করতে হবে না। একজন শিল্পপতি জানে কোনো সমস্যা হলে রাজনীতিবিদকে মেনেজ করে ফেলবেন। জনগণের কাছে যাওয়া লাগবে না। আবার জনগণও জানে আন্দোলন করে লাভ হবে না। কারণ, আন্দোলন করে কোনো স্বীকৃতি নেই। বরং অনেক সময় পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন, তাদের প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এমএমএ/এমকেআর/এমএস

টাইমলাইন  

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।