জামায়াত প্রার্থী সাইফুল
কোনো কোনো জায়গায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকছে না
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কোনো কোনো জায়গায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকছে না- এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল আলম।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অবস্থিত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন তিনি।
সাইফুল জানান, ঢাকা-১২ আসনে তার জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
একই আসনে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মহাসচিব মোমিনুল আমিন, আমজনতার দলের তারেক রহমান ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়।
জামায়াত প্রার্থী সাইফুল বলেন, ‘অভিযোগ এসেছে যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকছে না কোনো কোনো জায়গায়। কোনো জায়গায় প্রশাসন যদি নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলে, নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে। সর্বাত্মকভাবে এবং কঠিনভাবে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে।’
‘আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনকে প্রমাণ করা উচিত যে তারা নিরপেক্ষ। এটা তাদের দায়। কাজেই রিটার্নিং কর্মকর্তারা যদি একদিকে ঝুঁকে পড়েন, যেটা এনসিপির হাসনাত বলেছেন, এটা গুরুতর অভিযোগ। এটা খণ্ডন কিংবা ভুল প্রমাণ করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তারা অবশ্যই এটা সমাধান করবে,’ যোগ করেন তিনি।
জামায়াত প্রার্থী অভিযোগ করেন, ঢাকা-১২ আসনের সবচেয়ে বড় সমস্যা চাঁদাবাজি। কারওয়ান বাজার ও মহাখালী বাসস্টেশন অঞ্চলে চিহ্নিত একজন ব্যক্তি চাঁদাবাজি করছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছেন বলে জানান তিনি।
সাইফুল বলেন, ‘আমরা সর্বাঙ্গীনভাবে খুব ভালো খবর পাচ্ছি না। কিছুদিন আগে হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি। তা থেকে বোঝা যাচ্ছে দেশে প্রচুর অবৈধ অস্ত্র আছে এবং অবৈধ অস্ত্রধারীরাও ময়দানে আছে। অবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। যাতে দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে।’
এসএম/একিউএফ/এমএস