বিএনপির এত ভয় কেন : প্রশ্ন নাসিমের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পাবনা
প্রকাশিত: ১২:২০ পিএম, ১৫ জুলাই ২০১৭

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সারা দুনিয়ায় এখন নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। তাহলে বিএনপির এত ভয় কেন? আসলে বিএনপি ভয় পায় জনগণকে। কারণ জনগণের ওপর তাদের আস্থা নেই। 

শনিবার পাবনা সার্কিট হাউসে জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী এবং শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। এই স্বাধীন নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয়েছে। আমরা হেরেছি। কাজেই আগামী নির্বাচনও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। 

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, অযথা মাঠ গরম না করে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন, কীভাবে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা যায়। 

নাসিম বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্কিত। খালেদা জিয়াই তা বিতর্কিত করেছেন। ২০১৭ সালে তিনি ইয়াজউদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করেন। সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করে দেন। এরপর সংবিধান সংশোধন করে ওই বিতর্কিত বিধান বাতিল করা হয়েছে। এতে আর ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, উন্নয়ন ও জনগণের সেবার কারণে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাই বিজয়ী হবে। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বাকি উন্নয়ন কাজ শেষ করতে হবে। তাছাড়া জনগণ ভোট দেবে না। 

পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালোর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলু, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির, পাবনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. রিয়াজুল হক, সিভিল সার্জন ডা. তাহাজ্জেল হোসেন, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রফেসর শিবজিত নাগ, ফরিদপুর পৌর মেয়র খ ম মাজেদ প্রমুখ। 

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নবনির্মিত পাবনার সিভিল সার্জন অফিস উদ্বোধন করেন এবং পাবনা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করেন। 

একে জামান/আরএআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।