ভেসে গেছে জৈন্তাপুরের ৩ ইউনিয়ন
সিলেটের জৈন্তাপুরে তিনদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় উপজেলার সীমান্তঘেঁষা নিজপাট, জৈন্তাপুর ও চারিকাটা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সারী নদীর পানি বিপদসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সারী-গোয়াইন বেড়ীবাঁধ প্রকল্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।
এদিকে পাহড়ি ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার ৩ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের পরিবারগুলো। এদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিম্ন আয়ের দিনমজুর ও শ্রমিক পরিবারগুলো। পরিবারগুলোতে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে পড়েছে।
এখনও পর্যন্ত সীমান্তবর্তী ৩টি ইউনিয়নের বন্যায় আটকে পড়া পরিবারগুলোর মধ্যে ইফতার সামগ্রী, কিংবা শুকনো কোনো খাবার উপজেলা প্রশাসন কিংবা উপজেলা পরিষদ থেকে পৌছাঁয়নি।

তবে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি ও পরিবারগুলোর খোঁজ খবর নিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করেছেন জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা।
বন্যাকবলিত এলাকার মধ্যে রয়েছে, উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের মাহুতহাটি, দর্জীহাটি, মেঘলী, বন্দরহাটি, লামাপাড়া, ময়নাহাটি, মোরগাহাটি, জাঙ্গালহাটি, মজুমদারপাড়া, নয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, গোয়াবাড়ী, তিলকৈপাড়া, বড়খেল, ফুলবাড়ী, ডিবিরহাওর, ঘিলাতৈল, মাস্তিং, হেলিরাই।
এছাড়া জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মুক্তাপুর, বিরাইমারা, বিরাইমারা হাওর, লামনীগ্রাম, কাটাখাল, খারুবিল, চাতলারপাড়, ডুলটিরপাড়, ১ নম্বর লক্ষীপুর, ২ নম্বর লক্ষীপুর, আমবাড়ী, ঝিঙ্গাবাড়ী, কাঠালবাড়ী, নলজুরী হাওর ও চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাঁড়া, লালাখাল, লালাখালগ্রান্ট, রামপ্রসাদ, থুবাং, বাউরভাগ উত্তর, বাউরভাগ দক্ষিণ, পুঞ্জী সহ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
অপরদিকে সারী নদী, বড়গাং নদী এবং নয়া গাং নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ছামির মাহমুদ/এফএ/জেআইএম