৯ দিনের ছুটির ফাঁদে বেনাপোল স্থলবন্দর, বাড়বে ট্রাকজট

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ০৫:২৮ পিএম, ০১ জুন ২০১৯

পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা ৯ দিন বন্ধ থাকছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল। তবে এ পথে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকছে আটদিন। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়ছে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে পড়বে বিরূপ প্রভাব। এমনিতেই উভয় বন্দরে পণ্যজট লেগেই থাকে। লম্বা ছুটির কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাঁচামালের সংকট দেখা দিতে পারে। সীমান্তের দুই পাশের ট্রাকজট আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বন্দর-সংশ্লিষ্টরা। তবে এ ছুটিতে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ নুরুজ্জামান বলেন, ৩১ মে ও ১ জুন সাপ্তাহিক ছুটি, ২ জুন শবে কদরের ছুটি, ৩ জুন একদিন অফিস খোলা থাকলেও তেমন কোনো কাজ হবে না। ৪, ৫ ও ৬ জুন ঈদের তিন দিনের ছুটি। ৭ ও ৮ জুন সাপ্তাহিক ছুটি। ৯ জুন সকাল থেকে পুরোদমে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চলবে এ পথে। ১ জুন আমদানি-রফতানি কিছুুটা হলেও দুপুরের পর থেকে বন্ধ হয়ে গেছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম।

এ ব্যাপারে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, ৩০ মে দুপুরের পর থেকে অঘোষিত ছুটি পড়ে গেছে। ছুটির আগেই অনেক আমদানিকারক বিপুল পরিমাণ পণ্য খালাস করে নিয়ে গেছেন। ৯ জুন সকাল থেকে আবারও বন্দরের কার্যক্রম চালু হবে। ছুটিতে বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Benapole-Picture-India-Gate

বেনাপোল কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার আকরাম হোসেন বলেন, এবার সাপ্তাহিক ছুটিসহ ঈদের ৯ দিনের লম্বা ছুটিতে অনেকে বাড়িতে চলে গেছে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে। আগামী ৯ জুন থেকে শুরু হবে সরকারি অফিস-আদালত। সব মিলিয়ে টানা ৯ দিন ছুটির ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে দেশ।

এদিকে বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটিতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক থাকবে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত।

উল্লেখ্য, প্রতিদিন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ পণ্য বোঝাই ট্রাক আসে ভারত থেকে। আর বাংলাদেশ থেকে ১৫০ থেকে ২০০ ট্রাক পণ্য যায় ভারতে। এছাড়াও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাচাঁমালের পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য আসে এই বন্দর দিয়ে। একটানা ৯ দিন বন্ধ থাকার পর ৯ জুন কাস্টম হাউজ ও বন্দর চালু হলে সৃষ্টি হবে পণ্যজটের।

মো. জামাল হোসেন/বিএ/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :