স্পিরিট সেবনে মৃত্যু, আরও ৪ জনের লাশ উত্তোলন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৫:৪০ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২০

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে রেকটিফাইড স্পিরিট পানে ৬ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন করা আরও চার ব্যক্তির লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুল খালেক (৭১) ও বসুরহাট পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে ওমর ফারুক লিটনের (৫০) পারিবারিক কবরস্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

এর আগে, গতকাল সোমবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ নগর গ্রামের ফয়েজ আহম্মদের ছেলে ড্রাইভার মহিন উদ্দিন (৪০) ও একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মৃত রইসুল হকের ছেলে সবুজের (৪৫) লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ও পরের দিন সকালে বসুরহাট পান বাজারসংলগ্ন রফিক হোমিও হলের স্পিরিট পান করে একে একে ৬ জনের মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় রফিক হোমিও হলের মালিক সৈয়দ জাহেদ উল্যাহ (৬৫) ও তার ছেলে সৈয়দ মিজানুর রহমান প্রিয়মকে (২৯) ২৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে স্থানীয় শাহজাহান সাজু নামে এক ব্যক্তি রফিক হোমিও হলের মালিক ও তার ছেলেকে আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করায় তাদের মৃত্যুর ৩ মাস ২৫ দিন পর চারজনের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই সময় নুরনবী মানিক ও রবি লাল দে’র লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন ও সৎকার করা হয়েছিল।

লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালীর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামান খান ও কোম্পানিগঞ্জ থানা পুলিশের (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন।

উল্লেখ্য, স্পিরিট পানে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত রফিক হোমিও হলের মালিক কথিত হোমিও ডাক্তার সৈয়দ জাহেদ উল্যাহ ও তার ছেলে সৈয়দ মিজানুর রহমান প্রিয়ম নোয়াখালী কারাগারে আটক রয়েছেন।

মিজানুর রহমান/এমএএস/এমকেএইচ