সেলুলয়েডের ফিতায় মুক্তিযুদ্ধ


প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ২৫ মার্চ ২০১৫

একটি ভাষণ, একটি জাতির একাত্মতা, একটি ভয়াল রাত, একটি যুদ্ধ। অত:পর বহুপথ পেরিয়ে; প্রিয়জনের রক্তের সাগরে ধুয়ে মুছে একটি মানচিত্র পাওয়া গেল। বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়ালো সবুজ সোনার বাংলাদেশ। কাল থেকে কালে এই দেশটির স্বাধীনতা অর্জনের গল্প পৌঁছে গেছে মানুষের কাছে, শোষিতের অনুপ্রেরণায় আর নিষ্ঠুর শাসকের জন্য হুঁশিয়ারি হয়ে। চলমান এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্র। লিখেছেন লিমন আহমেদ

একজন বাঙালি হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দেশের আপামর জনতা সব সময়ই হৃদয়ের গভীরে লালন করেন। তেমনি প্রতিটি শিল্পী তার নানা কাজের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরেছেন ভিন্নমাত্রায়। আমাদের গণমাধ্যমও এর ব্যতিক্রম নয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র যেমন আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের উজ্জীবিত করেছে তাদের নানা পরিবেশনার মাধ্যমে, তেমনি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশ বেতার মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় পরিবেশন করেছে নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে।



পাশাপাশি একই অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। বিশেষ করে আমাদের টিভি নাটকে মুক্তিযুদ্ধকে অনেক যত্নের সাথে তুলে ধরেছেন নির্মাতারা। তবে, আমাদের অহংকারের মুক্তিযুদ্ধকে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যম হিসেবে একটি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছে দেশীয় চলচ্চিত্র।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হিসেবে মুক্তি পায় প্রয়াত চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘ওরা এগারো জন’। ছবির অধিকাংশ কলাকুশলী ছিলেন সদ্য মুক্তিযুদ্ধ ফেরত বাংলার সূর্যসন্তান। যার ফলে দর্শক টান টান উত্তেজনা নিয়েই উপভোগ করেছে ছবিটি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বলতে গেলে তাই সবার আগেই উঠে আসে এই ছবির নাম।

প্রায় একই সময়ে মুক্তি পায় সুভাস দত্তের ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, মমতাজ আলীর ‘রক্তাক্ত বাংলা’ ও আনন্দের ‘বাঘা বাঙাল’। যুদ্ধাহত নবীন বাংলাদেশে যুদ্ধের পরের বছরই এ চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পায়। মুক্তিযুদ্ধের তাণ্ডবের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সবাই তখন পর্দায় উপভোগ করে তাদের কীর্তিগাঁথা। চোখের জলে ভাসেন প্রিয়জন হারানোর তরতাজা ক্ষত বুকে লুকিয়ে।



সময় থেমে থাকে না। থাকিনি আমরাও। ধারবাহিকতায় ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায় আলমগীর কবিরের ‘ধীরে বহে মেঘনা’। ওই বছরই ‘আমার জন্মভূমি’ ছবিটি নির্মাণ করেন আলমগীর কুমকুম। খান আতাউর রহমান নির্মাণ করেন আলেঅচিত চলচ্চিত্র ‘আবার তোরা মানুষ হ’। যুদ্ধের গড়পড়তার কাহিনীর বাইরে গিয়ে যুদ্ধ ফেরত মুক্তিযোদ্ধাদের সাধারণ জীবনে ফিরে এসে দেশ গঠনের কাজে নিয়োজিত হওয়ার জন্য আহ্বান করা হয়েছে এ ছবিতে। দেশব্যাপি দারুণ সাড়া পায় ছবিটি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ‘আবার তোরা মানুষ হ’ সিনেমাটি হয়ে আছে কিংবদন্তি।

১৯৭৪ সালে চাষী নজরুল ইসলাম আবারো ফিরে আসেন সেলুলয়েডের ফিতায় মুক্তিযুদ্ধকে বন্দী করে। তিনি নির্মাণ করেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’। একই সালে মুক্তি পায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরেকটি ছবি মিতা পরিচালিত ‘আলোর মিছিল’। এর কিছু গান মাুনুষের কাছে আজো স্বাধীনতা উদযাপনের প্রধান অনুষঙ্গ।

১৯৭৪ সালে মুক্তি পায় হারুনুর রশীদ পরিচালিত ‘মেঘের অনেক রঙ’। ’৭০-এর দশকেই নির্মিত হয় ফখরুল আলম পরিচালিত ‘জয় বাংলা’, এস আলী পরিচালিত ‘বাঙালির ছাব্বিশ বছর’। আলমগীর কবির নির্মাণ করেছেন ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ আর শহীদুল হক খান নির্মাণ করেছেন ‘কলমিলতা’।



নব্বইয়ে দশকে এসে বেশ কিছু গুণী চলচ্চিত্রকার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ ভালো কিছু চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম তারেক মাসুদের ‘মুক্তির গান’। প্রশংসিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের ছবি ‘আগুনের পরশমণি’। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে রেকর্ড করা এই ছবিটি মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র হিসেবে সব প্রজন্মের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তারপর তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ ছবিটি সব মহলে প্রশংসিত হয়। আর এটাই বাংলাদেশের প্রথম অস্কারের জন্য মনোনীত কোনো চলচ্চিত্র। এতে মুক্তিযুদ্ধ উঠে এসেছে ভিন্ন আঙ্গিকে।

১৯৯৭ সালে মুক্তি পায় চাষী নজরুল ইসলামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তৃতীয় ছবি ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’। ছবিতে বুড়ি চরিত্রে সুচরিতার অভিনয় বারবার মন খারাপ করে যায় বাংলাদেশি মানুষের; একাত্তরে পাকিস্তানিদের তান্ডবের স্মরণে।

মাঝখানে কিছুটা বিরতি যায়। মুক্তিযুদ্ধকে ভিত্তি করে তেমন কোনো চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়নি। তবে চলচ্চিত্রে মুক্তিযুদ্ধ এসেছে সময়ের দাবিতে, চরিত্রের প্রয়োজনে। ২০০৪ সালে মুক্তি পায় হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্যামল ছায়া’ আর তৌকীর আহমেদের ‘জয়যাত্রা’। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যতিক্রমী চলচ্চিত্র ‘খেলাঘর’। এতে মুক্তিযুদ্ধকে সরাসরি দেখানো হয়নি একবারও, তবুও যুদ্ধের উত্তাপ ছিল প্রতি মুহূর্তে। ‘খেলাঘর’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন মোরশেদুল ইসলাম।

একই বছর মুক্তি পায় মেঘের পরে মেঘ ছবিটি। বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই ছবিটি প্রয়াত অভিনেতা ওয়াসিমুল বারী রাজিব এর উদ্দেশ্যে উত্সর্গ করা হয়। বিশিষ্ট কথা শিল্পি রাবেয়া খাতুনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয় এই ছবিটি। এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিতে অভিনেতা রিয়াজ দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন এবং তার বিপরীতে অভিনয় করেন পূর্ণিমা।

এরপর আরও বেশকিছু মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হলেও সবচেয়ে আলোচনায় আসে ‘গেরিলা’। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ। এই চলচ্চিত্রটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত। সৈয়দ শামসুল হকের `নিষিদ্ধ লোবান` উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে এটি। ‘গেরিলা’ ছবিটিতে অভিনয় করেছেন সহস্রাধিক শিল্পী। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দোপাধ্যায়, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা, গাজী রাকায়েত প্রমুখ।

‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিকভাবেও দারুণ সফল হয়েছে। মুক্তির ১০০ দিন পরেও ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স ও বলাকা সিনেওয়ার্ল্ডে প্রায় প্রতিটি প্রদর্শনীতেই দর্শক উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। চলচ্চিত্রটি ২০১১ সালে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে অংশগ্রহণ করে এবং ১৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০১১-এ নেটপ্যাক পুরস্কার জিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভূমিকা রাখে। ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের জন্য নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালক হিসেবে ও জয়া আহসানকে প্রধান চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হয়।



একই বছর মুক্তি পাওয়া ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ চলচ্চিত্রটিও বেশ আলোচিত হয়। মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একই নামের শিশুতোষ উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম। চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে মমন চলচ্চিত্র ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।

এই চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্র রাশেদের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চৌধুরী জাওয়াতা আফনান। অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইনামুল হক, হুমায়রা হিমু, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, আরমান পারভেজ মুরাদ, এছাড়াও শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন রায়ান ইবতেশাম চৌধুরী, কাজী রায়হান রাব্বি, লিখন রাহি, ফাইয়াজ বিন জিয়া, রাফায়েত জিন্নাত কাওসার আবেদীন।

১৯৭১ সালে মফস্বল শহরের কয়েকজন কিশোর কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তারই কিছু চিত্র ফুঁটে উঠেছে গল্পে।

তারপর উল্লেখ করা যায় ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া একজন নারী মুক্তিযোদ্ধার গল্প নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘হৃদয়ে ৭১’র নাম। রোকেয়া ইসলামের রচনা এবং মির্জা রাকিবের কাহিনীবিন্যাস ও সংলাপে এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন সাদেক সিদ্দিকী।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমন, রোমানা, আন্না, সাগর, সাইফ খান, রাখী, শহীদুল আলম সাচ্চু, হীরা, আশরাফ কবীর, আব্বাসউল্লাহ, মারুফ, আমীর, উদয় খান, নিশু রহমান আরও অনেকে।

এত এত চলচচ্চিত্রে মুক্তিযুদ্ধ উঠে এলেও বিশ্বমানের চলচ্চিত্র খুব একটা হয়নি বলেই অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকদের ধারণা। তবুও সব নির্মাতাই চেষ্টা করেছেন নিজ নিজ জায়গা থেকে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল সময়েই প্রগতিশীল চলচ্চিত্র নির্মাতারা মুক্তিযুদ্ধের ওপর কিছু প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন। জহির রায়হান নির্মাণ করেন অনন্য ছবি ‘স্টপ জেনোসাইড’, যা বিদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অন্য চলচ্চিত্রগুলো হলো- আলমগীর কবিরের ‘লিবারেশন ফাইটার্স’, শুকদেবের ‘নাইন মান্থস টু ফ্রিডম’ ও বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়নস’।

যুদ্ধের ময়দান থেকেই বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সঙ্গে সঙ্গে প্রামাণ্যচিত্রের ইতিহাস শুরু হয়। ১৯৭২ সালে নির্মিত হয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘প্রোগ্রাম ইন বাংলাদেশ’। ১৯৮৪ সালে নির্মিত হয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’, ১৯৮৬ সালে ‘প্রত্যাবর্তন’। এর পরিচালক ছিলেন মোরশেদুল ইসলাম। আর এই গুণী পরিচালকের হাতেই ১৯৮৮ সালে নির্মিত হয় ‘সূচনা’।



১৯৮৯ সালে আক্তার হোসেন নির্মাণ করলেন ‘দুরন্ত’। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এই দশ বছরে নির্মিত হয়েছে আরও বেশকিছু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ১৯৯০ সালে নির্মিত হয় ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা’ ও ‘ধূসর যাত্রা’। ১৯৯৩ সালে নাসির উদ্দিন ইউসুফ নির্মাণ করেন ‘একাত্তরের যীশু’।

২০০৪ সালে তানভীর মোকাম্মেল নির্মাণ করেন ‘স্মৃতি ৭১’। এর আগের বছর কাওসার চৌধুরী তৈরি করেন ‘সেই রাতের কথা বলতে এসেছি’। এ স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

এবং এইতো প্রেম

সর্বশেষ মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত হয়েছে ‘এইতো প্রেম’ নামে একটি চলচ্চিত্র। প্রখ্যাত চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের পুত্র সোহেল আরমান পরিচালিত এই ছবিতে যুদ্ধের পাশাপাশি উঠে এসেছে দু’টি যুবক-যুবতীর প্রেম। যে প্রেমের সাথে মিলেমিশে একাকার দেশের স্বাধীনতা। এইতো প্রেম মুক্তি পেয়েছে গত ১৩ মার্চ।

ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্র সূর্য ও মাধবীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান ও লাক্স সুন্দরী আফসান আরা বিন্দু। এছাড়াও ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, অমিত হাসান, সৈয়দ হাসান ইমাম, মাসুম আজিজ।

এর গল্পে দেখা যাবে পুরোহিতের মেয়ে মাধবী। তাকে ভালোবাসে একই গ্রামের স্কুলশিক্ষকের ছেলে সূর্য। মাধবীও একসময় সূর্যকে ভালোবেসে ফেলে। এরই মধ্যে একদিন গ্রামে ঢোকে পাকিস্তানি বাহিনী। এক দিকে দেশ বাঁচানোর যুদ্ধ, অন্য দিকে এক জোড়া মনের যুদ্ধ। পাকিস্তানি বাহিনী পুরোহিতকে হত্যা করে। দেশকে শত্রুমুক্ত করতে মাধবীকে রেখে ছেলেটি চলে যায় যুদ্ধ করতে। এভাবেই এগিয়ে চলে প্রেম আর যুদ্ধের ছবি ‘এইতো প্রেম’।

এলএ/পিআর

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :