আমীর খসরু
যারা শঙ্কা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে তারাই জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যারা শঙ্কা ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করছে, তারাই ধীরে ধীরে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের পক্ষে জনগণ তাদের জায়গায়ই আছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম নগরের ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বড়পুল, ছোটপুল, বাদশা মিয়া ব্রিকফিল্ড রোড, ইসলামিয়া ব্রিকফিল্ড রোড, সিজিএস কলোনি, সিডিএ, বিল্লাপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি।
আমীর খসরু বলেন, একটি গোষ্ঠী আছে যারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু বাস্তবে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। দেশের মানুষ আজ গণতন্ত্র ও নির্বাচনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছে। আন্তর্জাতিকভাবেও গণতন্ত্রকামী দেশগুলো বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে সহযোগিতা করছে। তবে দেশের ভেতরে একটি গোষ্ঠী নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে ও নির্বাচন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত করতে নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ চায় তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একটি নির্বাচিত সরকার ও সংসদ প্রতিষ্ঠা করতে। যারা নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা ছড়াচ্ছে, তারা নিজেরাই জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
বিএনপির প্রতি জনগণের সমর্থনের কথা উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, দেশের প্রতিটি প্রান্তে ধানের শীষের প্রতি জনগণের উচ্ছ্বাস স্পষ্ট। বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা রয়েছে। আজ বিএনপি ও গণতন্ত্র একাকার হয়ে গেছে।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে সহনশীলতা, পরস্পরের প্রতি সম্মানবোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে ঢাকায় নেমে বারবার শান্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
আমীর খসরু আরও বলেন, স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে বিএনপি সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গণসংযোগকালে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর মো. সেকান্দর, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কামাল সরদার, সদস্য সচিব মো. মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুর মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও শ্রমিকদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/এমএমকে